এ অনন্য মাইলফলক কেবল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের চিরন্তন মূল্যবোধকেই উদযাপন করে না, বরং গত আড়াই শতকের উদ্ভাবন, স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল ইতিহাসকেও স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা মনোভাব এবং অগ্রগতির প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যৎকে গড়ে তুলতে যে ভূমিকা পালন করে চলেছে, তা সিসকোর মূল লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গেও গভীরভাবে সাযুজ্যপূর্ণ।
১৯৯৮ সালে সিসকো বাংলাদেশে চ্যানেল পার্টনারের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশে করপোরেট অফিস শুরু করে। বাংলাদেশে আমাদের যাত্রা ‘ওয়ান সিসকো’ ভিশনকে ধারণ করে, যেখানে নেটওয়ার্কিং, নিরাপত্তা, অবজারভেবিলিটি ও কোলাবোরেশন—চারটি ক্ষেত্রের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা এআই-রেডি ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করছি, নিরাপদ ও স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছি এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছি।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবননির্ভর এক গতিশীল অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। সিসকো এ অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে গর্বিত। আমরা সরকারি, বেসরকারি খাত ও বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আগামী দিনের দিকে তাকালে এ অংশীদারত্ব আরো গভীর করার সম্ভাবনা অত্যন্ত বিস্তৃত। ‘ওয়ান সিসকো’ ভিশনের মাধ্যমে আমরা কানেক্টিভিটি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিজিটাল দক্ষতার মাধ্যমে মানবসম্পদকে সক্ষম করে তোলা এবং টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রযুক্তি আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীর এ গৌরবময় মুহূর্তে আমরা অতীতকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, বর্তমানকে উদযাপন করি এবং ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী অংশীদারত্ব ও যৌথ সমৃদ্ধির প্রত্যাশা করি।
আতিকুর রহমান: কান্ট্রি লিডার
সিসকো টেকনোলজি বাংলাদেশ লিমিটেড










