বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড আর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমায় আবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) নিয়েছে এক সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মহাদেশের ৪৩টি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও পেশাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শক্তিশালী একাডেমিক সেতুবন্ধ তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এ বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক এক্সপোজার প্রদান, উন্নত গবেষণা এবং বিশ্বমানের ক্যারিয়ার গড়ার পথ সুগম করা।
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার চারটি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়—মোনাশ ইউনিভার্সিটি, ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটি, মারডক ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসেলের সঙ্গে এআইইউবির রয়েছে একাডেমিক অংশীদারত্ব। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার ফলে শিক্ষার্থীরা উন্নত গবেষণা ও আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গেও এআইইউবি একাডেমিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়। উত্তর আমেরিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অ্যালাবামা, ওয়াশবার্ন ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব সোভেরিন নেশনস এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট অব আইটি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে রয়েছে দীর্ঘদিনের সহযোগী কার্যক্রম। এছাড়া কানাডার সেন্ট মেরি’স ইউনিভার্সিটি, আলগোমা ইউনিভার্সিটি ও কলেজ অব নিউ ক্যালেডোনিয়া এবং মেক্সিকোর অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি অব গুয়াদালাজারা ও সিইটিওয়াইএস ইউনিভার্সিটি এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের সিআইএমএ, ইউনিভার্সিটি কলেজ বার্মিংহাম ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ছাড়াও অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব গাভলে, ইতালির ইউনিভার্সিটি অব ট্রেন্টো, স্পেনের ইউনিভার্সিটি অব আলকালা এবং জর্জিয়ার ককেশাস ইউনিভার্সিটি।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এআইইউবির একাডেমিক নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত। থাইল্যান্ডের কাসেম বান্ডিত ইউনিভার্সিটি, সুরনারী ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ও ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটি অব থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইনের লিয়াম অব দ্য ফিলিপাইনস ইউনিভার্সিটি, আওয়ার লেডি অব ফাতিমা ইউনিভার্সিটি, অ্যাডামসন ইউনিভার্সিটি, প্যান প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি ও সামার স্টেট ইউনিভার্সিটি এআইইউবির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সারাওয়াক ও ইউনিভার্সিটি উতারা মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সুরাবায়া একাডেমিক সহায়তা জোরদারে কাজ করছে।
পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গেও এআইইউবির পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পূর্ব এশিয়ায় জাপানের জেএফ ওবারলিন ইউনিভার্সিটি ও ওসাকা ইউনিভার্সিটি অব কমার্স, চীনের ইউনান ওপেন ইউনিভার্সিটি এবং তাইওয়ানের আই-শৌ ইউনিভার্সিটি এআইইউবির একাডেমিক কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ করছে। এছাড়া আফ্রিকা মহাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অন্যতম একাডেমিক অংশীদার।
নিজ দেশে উচ্চশিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের মতো পেশাদার সংগঠনের সঙ্গেও আমাদের একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সমন্বয় রয়েছে।










