এটা চিরন্তন সত্য যে জন্মিলে মরতেই হবে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের মানুষ আমরা সত্যিকার অর্থেই আজ অভিভাবকহীন হয়ে গেলাম। একটা মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বয়স বা রোগাক্রান্ত হলে মৃত্যুবরণ করবে। কিন্তু সবার চলে যাওয়া এক সমান নয়। খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রী বলা হয়, কিন্তু কয়জন এই আপসহীনতার প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করতে পারে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর ওপর বিভিন্ন সময়ে যে অত্যাচার ও অবিচার হয়েছে, এমন নির্যাতনের উদাহরণ কোনো পরিবারের ওপর একটি প্রজন্মে ঘটেছে কিনা, তা আমার জানা নেই। তার পরও খালেদা জিয়া ছিলেন অবিচল, ন্যায়ের প্রতি অটল। সত্যিকার অর্থে আপসহীন শব্দটি যেন তার কাছেই প্রাণ পেয়েছে। তিনি বাস্তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন আপসহীনতা কাকে বলে। তার মধ্যে কোনো রাগারাগি ছিল না, ছিল না উচ্চস্বরে কথা বলা। তিনি যা বলেছেন, তাই করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এ দেশ ছাড়া তার আর কোনো ঠিকানা নেই। তাকে বারবার বলা হয়েছিল, তিনি যদি বিদেশে চলে যান, তাহলে তাকে মুক্তি দেয়া হবে। তার পরও তিনি কোনো কিছুর সঙ্গেই আপস করেননি।
এটা চিরন্তন সত্য যে জন্মিলে মরতেই হবে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের মানুষ আমরা সত্যিকার অর্থেই আজ অভিভাবকহীন হয়ে গেলাম। একটা মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বয়স বা রোগাক্রান্ত হলে মৃত্যুবরণ করবে।










