বেগম জিয়ার সঙ্গে আমার বহুবার, বহু জায়গায় দেখা হয়েছে। বিশেষ করে আব্বার সঙ্গে আমি প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে যেতাম, ওনার সঙ্গে দেখা করতে। ওনার সবচেয়ে ভালো দিক ছিল, খুব কম বলতেন, বেশি শুনতেন। উনি সবার থেকে শুনে শুনে বোঝার চেষ্টা করতেন। বুঝে ডিসিশন নিতেন। এ ব্যাপারটা ভালো। অনেক বেশি না বলে যে বা যারা বলছেন তাদের কথা হৃদয়ঙ্গম করে তারপর একটা ডিসিশন নিতেন।
খালেদা জিয়া খুব সামাজিক মানুষ ছিলেন। সবার সঙ্গে মিশতেন। ওনার মধ্যে কোনো আড়ম্বর ছিল না। এ বিষয়গুলো আমার পছন্দ ছিল। এর পাশাপাশি ওনার একটি বিষয় আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে—ওনার আপসহীনতা। এত অত্যাচার সহ্য করেছেন এ ১৬ বছরে! উনি ইচ্ছে করলে বাইরে চলে যেতে পারতেন। ওনাকে বারবার সুযোগও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু দেশ ছেড়ে বাইরে যাননি।
ছেলের মৃত্যু হলো। এক ছেলে দেশের বাইরে, দেখা হচ্ছে না তার সঙ্গে। কেউ তাকে দেখতে আসতে পারছে না। তারপরও উনি একবারও বলেননি, আমি বিদেশে চলে যেতে চাই। উনি দেশেই ছিলেন সবসময়।










