বেগম খালেদা জিয়ার সব আইনি লড়াইয়ে ১৯৯৬ সাল থেকে আমি তার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। ছাত্রদল থেকে আসা প্রথম উচ্চ আদালতের আইনজীবী ছিলাম বলে বেগম জিয়া আমাকে নিয়ে গর্ব করতেন এবং সবসময় স্নেহ করতেন। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেনের সময় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আসতে দেয়া হচ্ছিল না, সেই সময় যখন খালেদা জিয়াকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছিল, তখন তিনি দেশ ছাড়ার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে নিষেধ করে দেন। ২০০৮ সালে অন্য নেতারা শর্তাধীন মুক্তি নিয়ে বিদেশে চলে গেলেও বেগম জিয়া এক বছরের বেশি সময় জেল খাটেন।

খালেদা জিয়া আমার মাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে এ দেশের মানুষ তাকে তিনবার প্রধানমন্ত্রী করেছে, তাই দেশের মানুষ এবং সন্তানদের ছেড়ে তিনি কোথাও যাবেন না। অসুস্থ হলেও এ দেশেই চিকিৎসা করাবেন বলে সাফ জানিয়ে দেন।

এতিমদের টাকা চুরির অপবাদ বা মামলা নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া মানসিকভাবে খুব কষ্ট পেতেন। এসব নিয়ে টেলিভিশনের খবর দেখলে আক্ষেপ করে বলতেন, ‘আমি এতিমদের টাকা মেরে খাওয়া মানুষ?’ খুব ব্যথিত হতেন বিষয়টি নিয়ে। মামলা নিয়ে বেগম জিয়া কখনো বিচলিত হতেন না।