১৯৮৬ সালে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করার মধ্য দিয়ে এসআইএ বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর এবং বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যের সঙ্গে সংযুক্ত করার যাত্রা শুরু করে।

সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি হাবের মাধ্যমে এসআইএ বাংলাদেশকে এশিয়া-প্যাসিফিক, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিস্তৃত গন্তব্যের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিক্ষা ও বিনিয়োগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরো শক্তিশালী হয়েছে।

গত চার দশকে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের বিকাশে সরকারি সংস্থা, বাণিজ্য অংশীদার এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস। এর মাধ্যমে পর্যটন, ব্যবসায়িক ভ্রমণ ও কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি উন্নত কেবিনসেবা, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করছে এসআইএ। একই সঙ্গে নিয়মিত কর্মীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেবার উৎকর্ষ বজায় রাখছে।

টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০৫০ সালের মধ্যে নিটশূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস। বহরে আধুনিক উড়োজাহাজ সংযোজন, সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং সামাজিক উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে আকাশপথের সংযোগ আরো জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস এবং বাংলাদেশে ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস বাংলাদেশের প্রতি তাদের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরো জোরদার করা, অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির যাত্রায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রবিন চেং কিং: মহাব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ

সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস লিমিটেড