এ আনন্দঘন মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের সুদৃঢ় বন্ধুত্ব ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরো সমৃদ্ধ হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

পরিকল্পিত উন্নয়ন, সুশাসন, প্রযুক্তিনির্ভর অগ্রগতি এবং দূরদর্শী অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে সিঙ্গাপুর আজ বিশ্ব অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য, আর্থিক সেবা, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও উদ্ভাবনে দেশটির সাফল্য উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল।

বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের সম্পর্ক আজ বহুমাত্রিক। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং আর্থিক সহযোগিতার ধারাবাহিক সম্প্রসারণ দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এ সম্পর্ককে আরো কার্যকর ও টেকসই করতে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে অগ্রণী ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবায় নিবেদিত। সিঙ্গাপুরে আমাদের এক্সচেঞ্জ হাউজ প্রবাসী বাংলাদেশীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদ, দ্রুত ও স্বল্প খরচে দেশে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক সংযোগকে আরো শক্তিশালী করতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক আস্থা, দায়িত্বশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কার্যকর সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর সম্পর্ক আগামী দিনে আরো গভীর হবে। সেই অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ব্যাংক একটি বিশ্বস্ত রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের উন্নয়ন, প্রবাসী কল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংযোগ সম্প্রসারণে তার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবে।

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবসে আবারো আন্তরিক শুভেচ্ছা। দুই দেশের বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ আরো সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হোক—এ কামনা করি।

সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ: চেয়ারম্যান,

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.