এ বিবেচনায় সিঙ্গাপুর সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম অনুকরণীয় রাষ্ট্র। সীমিত ভৌগোলিক পরিসর ও প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়েও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, বিশ্বমানের অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ এবং উন্মুক্ত বাণিজ্যনীতির সমন্বয়ে দেশটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার অন্যতম নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।

একজন ব্যবসায়ী ও ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনের অর্থনৈতিক সাফল্যের মূল ভিত্তি হবে পারস্পরিক আস্থা, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব। বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর যদি উদ্ভাবন, ডিজিটাল অর্থনীতি, টেকসই অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলোকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে এ সম্পর্ক শুধু দুই দেশের উন্নয়নকেই ত্বরান্বিত করবে না, বরং সমগ্র অঞ্চলের অর্থনৈতিক সংযোগ ও সমৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবসের এ গৌরবময় মুহূর্তে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরো গভীর ও গতিশীল হোক-এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর আগামী দিনেও অভিন্ন সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে, এ বিশ্বাসই আজকের শুভক্ষণে আমার আন্তরিক প্রত্যাশা।

এএসএম শহীদুল্লাহ খান: চেয়ারম্যান,

ওয়ান ব্যাংক পিএলসি