২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে কভিড-১৯ মহামারী বা নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এটিকে প্রাণঘাতী ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেন। ২০২০ সালের মার্চে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। সংক্রমণের হার কমাতে ও জনগণের সুরক্ষায় সরকার অফিস-আদালতসহ ব্যবসা-বাণিজ্য, সাধারণ চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপ করে। ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপণন ব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়ে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, চিপ ও সরবরাহ সংকট বিশ্ববাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস পণ্যের বাজারেও প্রভাব ফেলে। এ সময় ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ল্যাপটপের বিক্রি বাড়লেও গৃহস্থালি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রি অনেকটাই কমে আসে। বর্তমানে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ অনেকটাই কমে এসেছে। ফলে বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিক্রি বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ক্রেতাদের ছাড়ও দিচ্ছে।

ভোক্তা পর্যায়ে ইলেকট্রনিকস পণ্যের মধ্যে টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, মাইক্রোওয়েভ বা ইলেকট্রিক ওভেন, ব্লেন্ডার বা গ্রাইন্ডার, টোস্টার, ওয়াটার হিটার, সাবস্যান্ডউইচ মেকারসহ একাধিক পণ্য রয়েছে। পছন্দের দিক থেকে টেলিভিশনে সনি, স্যামসাং, এলজি, ওভেনে সিঙ্গার, ফিলিপস, ব্লেন্ডারের ক্ষেত্রে কারো কাছে চীনা ব্যান্ড মিয়াকো পছন্দ। আবার কেউ একটু দামি হলেও সিঙ্গারের পণ্য কিনে থাকেন। এয়ারকন্ডিশনার বা এসির ক্ষেত্রে গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় গ্রি, জেনারেল, সিঙ্গার, ভিশন ও দেশী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনও রয়েছে।

দৈনন্দিন কাজে রেফ্রিজারেটর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। খাবার রাখার পাশাপাশি বর্তমানে এটি ঘরের সৌন্দর্যবর্ধক। বাজারে বিভিন্ন ধরনের রেফ্রিজারেটর পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো হলো ডিপ ফ্রিজার, ডিরেক্ট কুল, নো ফ্রস্ট, সাইড বাই সাইড, টপ মাউন্ট, বটম মাউন্ট, আপরাইট ও সেমি কমার্শিয়াল সিরিজের ফ্রিজ।

বাজারে দেশী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনেরই দুই শতাধিক মডেলের ফ্রস্ট, নন-ফ্রস্ট, ডিপ ফ্রিজ ও বেভারেজ কুলার ফ্রিজ রয়েছে। মাত্র ১০ হাজার ৯৯০ টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে এগুলো কেনা যাবে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের জন্য ঝড়ো অফার চালু করেছে। ওয়ালটনের ডিজিটাল প্রচারণা ‘সিজন-১৪’-এ এসব সুবিধা দেয়া হচ্ছে। দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শো-রুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে যেকোনো ওয়ালটন পণ্য কিনে ক্রেতারা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জিততে পারবেন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ২৪৫ থেকে ৪৯১ লিটারের ফ্রিজ ক্রয়ের সুবিধা দিচ্ছে। এসব ফ্রিজের দাম ৪২ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার মধ্যে। ঈদ উপলক্ষে স্যামসাংও বিভিন্ন অফার দেয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করছে। রেফ্রিজারেটরের জন্য বিখ্যাত হিটাচি ব্র্যান্ডও ২২৩ থেকে ৫৮৪ লিটারের রেফ্রিজারেটরে বিভিন্ন সুবিধা দিচ্ছে। এগুলোর দাম ৪৬ হাজার ৯০০ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে। ওয়ার্লপুল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে ২৬৫ লিটার থেকে ৬০৩ লিটার পর্যন্ত। এসব ফ্রিজের দাম পড়ছে ৫০ হাজার ৯০০ থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ টাকা।

২৪১ থেকে ৬৪৬ লিটার পর্যন্ত শার্প ব্র্যান্ডের ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দাম পড়ছে ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭২ টাকা। এলজি ব্র্যান্ডের ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে ৩০৮ থেকে ৬৭৫ লিটার পর্যন্ত। এক্ষেত্রে দাম পড়ছে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬২৫ টাকা পর্যন্ত। সিঙ্গারের বিভিন্ন রকমের ফ্রিজ আছে বাজারে। এসব ফ্রিজের দাম পড়ছে ২৯ হাজার ৭২০ থেকে ৩৫ হাজার ৩৮৭ টাকা। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ভিশন নামে ফ্রিজ বাজারজাত করছে। ভিশন ফ্রিজের দাম ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

রেফ্রিজারেটরের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এয়ারকন্ডিশনার (এসি) অন্যতম। এ খাতসংশ্লিষ্টরা বাজার বিস্তৃতির বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছে। কভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার এসি বিক্রি হয়েছিল। ২০২০ সালে কভিড-১৯ সংক্রমণের মধ্যে তা সাড়ে তিন লাখে নেমে আসে। ২০২১ সালে এ পরিস্থিতির উন্নতি হয় এবং প্রায় চার লাখ এসি বিক্রি হয়। চলতি বছর ৪ লাখ ৩০ হাজার এসি বিক্রির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন এ খাতের উৎপাদক ও পরিবেশকরা।

দেশে এসি উৎপাদন ও বাজারজাতে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ওয়ালটন, ইলেকট্রোমার্ট, ট্রান্সকম, এসকোয়্যার ইলেকট্রনিকস, সিঙ্গার বাংলাদেশ, বাটারফ্লাই, র্যাংগ্স ইলেকট্রনিকস, ইলেকট্রা ইন্টারন্যাশনাল, মিনিস্টার, প্রাণসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

বাজারে ব্র্যান্ডভেদে এক টনের বিদেশী ইনভার্টার এসির দাম ৬০-৬৫ হাজার টাকা। আর নন-ইনভার্টারের দাম ৩৫-৫০ হাজার টাকার মধ্যে। দেড় টন ইনভার্টার এসির দাম ৭৫-৮৫ হাজার টাকা। এক্ষেত্রেও ঈদ সামনে রেখে ব্র্যান্ডভেদে দেয়া হচ্ছে নানা ছাড়।

দেশের টেলিভিশন বাজার গত এক দশকে ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ক্রেতা আকর্ষণ করতে বিক্রেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। পণ্য বিক্রয় ধরে রাখতে কোম্পানিগুলোকে টেলিভিশনের গুণ এবং মানের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে হচ্ছে।

দেশের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টেলিভিশন রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ওয়ালটন, সনি, এলজি, সিঙ্গার, মিনিস্টার, স্যামসাং। কয়েকটি ব্র্যান্ডের হালনাগাদকৃত মূল্যতালিকা পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩২ ইঞ্চি এইচডি এলইডি সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা, ৪৩ ইঞ্চি ফুল এইচডি এলইডি সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন ৫৩ হাজার ৯০০ টাকা, ৫০ ইঞ্চি ফুল এইচডি এলইডি সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন ৬৪ হাজার ৯০০ টাকা, ৪৩ ইঞ্চি ফোরকে আল্ট্রা এইচডি সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন ৮৪ হাজার ৯০০ টাকা এবং সনি ব্রাভিয়ার মাস্টার সিরিজের ওএলইডি ফোরকে আল্ট্রা এইচডি স্মার্ট টিভি (অ্যান্ড্রয়েড) ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা।

এছাড়া পহেলা বৈশাখ ও আসন্ন ঈদুল ফিতর কেন্দ্র করে সনির বিভিন্ন মডেলের টেলিভিশনে ছাড় প্রদান করা হচ্ছে। ৩৩ শতাংশ ছাড়ে সনি ব্রাভিয়ার ৫৫ ইঞ্চি ফোরকে আল্ট্রা এইচডি স্মার্ট টিভি (অ্যান্ড্রয়েড) ৮৯ হাজার ৯০০ টাকা, ৫৩ শতাংশ ছাড়ে সনি ব্রাভিয়ার ৬৫ ইঞ্চি ফোরকে আল্ট্রা এইচডি স্মার্ট টিভি (অ্যান্ড্রয়েড) ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০০ টাকা, ৩৩ শতাংশ ছাড়ে সনি ব্রাভিয়ার ৫৫ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট অ্যান্ড্রয়েড ওএলইডি টিভি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ এবং ৫৩ শতাংশ ছাড়ে সনি ব্রাভিয়ার ৭৫ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট অ্যান্ড্রয়েড টিভি ২ লাখ ৯ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এলজির ৪৩ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট ইউএইচডি এলইডি টিভি ৫৫ হাজার ৯০০ টাকা, ৫৫ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট ইউএইচডি এলইডি টিভি ১ লাখ ৯ হাজার ৯০০ টাকা, ৬৫ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট ইউএইচডি এলইডি টিভি ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯০০ টাকা। এছাড়া পহেলা বৈশাখ ও আসন্ন ঈদুল ফিতর কেন্দ্র করে এলজি টেলিভিশনে ছাড় প্রদান করা হচ্ছে। ৩৮ শতাংশ ছাড়ে এলজির ৪৩ ইঞ্চি ফোরকে স্মার্ট ইউএইচডি এলইডি টিভি ৪৯ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন মডেলের টেলিভিশন দিচ্ছে ওয়ালটন। সর্বনিম্ন ১১ হাজার ৫০০ টাকায় রয়েছে ডব্লিউডি২৪আর২১ (৬১০ মিলিমিটার) এবং মূল্য ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা মূল্যে ডব্লিউ৩২এফ১৩০ (৮১৩ মিলিমিটার) টেলিভিশন। এছাড়া ডব্লিউডিআরএস৪০জি এফএইডডি (১ দশমিক ০১৫ মিটার) অ্যান্ড্রয়েড টেলিভিশনের মূল্য ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা, ডব্লিউডি২৪আরএ (৬১০ মিলিমিটার) স্মার্ট টেলিভিশনের মূল্য ১৫ হাজার ৩০০ টাকা, ডব্লিউ৪৩ডি২১০এইচজি১ (১ দশমিক ০৯ মিটার) এফএইচডি অ্যান্ড্রয়েড টেলিভিশনের মূল্য ৩৩ হাজার ৯৯০ টাকা, ডব্লিউ৩২এফ১১০ (৮১৩ মিলিমিটার) টেলিভিশন ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা, ডব্লিউডি-ইএফ৩২এইচজি১ (৮১৩ মিলিমিটার) ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, ডব্লিউ৩২ডি১২০ (৮১৩ মিলিমিটার) ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ডব্লিউ৩২ডি১২০এইচজি১ অ্যান্ড্রয়েড ২৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং ডব্লিউডি-ইএফ৩২জি অ্যান্ড্রয়েড টিভির মূল্য ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

বিভিন্ন মাত্রায় মূল্যছাড়ে বিক্রি হচ্ছে সিঙ্গারের বিভিন্ন মডেলের টেলিভিশন। সিঙ্গার এস৩২ অ্যান্ড্রয়েড টিভি ২৭ হাজার টাকা, সিঙ্গার এস৪২ অ্যান্ড্রয়েড টিভি ৪০ হাজার ৭৪৭ টাকা, সিঙ্গার এস৫০ ফোরকে ফ্রেমলেস অ্যান্ড্রয়েড টিভি ৬২ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং সিঙ্গার এস৪০ ফ্রেমলেস এফএইচডি এলইডি টিভি ২৮ হাজার ৪২৫ টাকা।

ওয়াশিং মেশিনের দিক থেকে দেশে সিঙ্গার, ওয়ালটন, এলজি, ভিশন পরিচিত। বর্তমানে বিভিন্ন মডেলের ওয়াশিং মেশিনে ৫-১৩ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে সিঙ্গার। সেমি অটো, ফুল অটো ও ইনভার্টার ক্যাটাগরিতে ওয়াশিং মেশিন দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ধারণক্ষমতা বিশেষে এগুলোর দাম ১০ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার টাকার মধ্যে।

ওয়ালটন অটোমেটিক ফ্রন্ট, অটোমেটিক টপ লোড ও সেমি অটোমেটিক তিন ক্যাটাগরিতে ওয়াশিং মেশিন সরবরাহ করছে। মডেলভেদে এগুলোর দাম ৩৩ হাজার থেকে ৬২ হাজার টাকার মধ্যে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়েরও ওয়াশিং মেশিন রয়েছে। এগুলোর দাম ২৮ হাজার ৯০০ থেকে ৭৪ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ে ভিশনের ওয়াশিং মেশিনও পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়াশিং মেশিনগুলো মডেলভেদে ৪ হাজার ৯৫০ থেকে ৪২ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় আরেকটি ইলেকট্রনিকস পণ্য হচ্ছে ব্লেন্ডার। বর্তমান সময়ে জুস তৈরির পাশাপাশি যেকোনো কিছু গুঁড়ো করার ক্ষেত্রে ব্লেন্ডারের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ব্লেন্ডারগুলো ১ হাজার ৭০০ থেকে ৪ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। এসব ব্লেন্ডারে বিভিন্ন ডিজাইন ও একাধিক জগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সাধারণ ব্যবহারের দিক থেকে মিয়াকো বাংলাদেশে বেশ পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটির ব্লেন্ডারগুলোর মূল্য ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। বিশেষ মূল্যছাড়ে ক্রেতারা সিঙ্গারের ব্লেন্ডার কিনতে পারবেন। তবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বেশকিছু ব্লেন্ডারের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এগুলোর মূল্য ২ হাজার ৭০০ থেকে ৯ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

মাইক্রোওয়েভ ও ইলেকট্রিক ওভেনের দিক থেকে কংকা, মিয়াকো, ওয়ালটন, সিঙ্গার, স্যামসাং দেশে প্রচলিত। ওয়ালটন সলো, মাইক্রোওয়েভ অ্যান্ড গ্রিল এবং মাইক্রোওয়েভ, গ্রিল অ্যান্ড কনভেকশন ক্যাটাগরিতে পণ্য বিক্রি করছে। সলো ক্যাটাগরির ওভেনের মূল্য ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা, মাইক্রোওয়েভ অ্যান্ড গ্রিল ওভেনের মূল্য ৮ হাজার ৯০০ থেকে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং মাইক্রোওয়েভ, গ্রিল অ্যান্ড কনভেকশন ক্যাটাগরির ওভেনগুলোর মূল্য ১৩-১৯ হাজার টাকার মধ্যে।

সিঙ্গারের ওভেনগুলো কুকিং, বেকিং ও হিটিং ক্যাটাগরিতে পাওয়া যাচ্ছে। সলো বা হিটিং ওভেনগুলোর মূল্য ৭ হাজার ৫০০ থেকে ১১ হাজার টাকা, বেকিং ওভেনের মূল্য ১৮-১৯ হাজার টাকা এবং কুকিং ওভেনগুলোর মূল্য ৮-১৪ হাজার টাকার মধ্যে।