আহমদ শাহ দুররানির মূল সফল্য ছিল আফগান জনগণের আস্থা অর্জন। তিনি আফগানিস্তানের বিবদমান অনেক গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করে আধুনিক আফগান জাতি গঠনে ভূমিকা রেখেছিলেন। তার বড় কৃতিত্ব তিনি বিভক্ত অঞ্চলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে রাজনৈতিক পরিচয় ‘আফগানিস্তান’ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দেশটি এখন আফগানিস্তান নামে পরিচিত, এটি আগে কতগুলো রাজ্যে বিভক্ত ছিল যেগুলো শাসন করতেন অত্যাচারী শাসকরা’—বলেন স্যার পার্সি সাইকস
একজন শিখ
হয়েও গান্ডা
সিং কেন
আফগানদের নায়ক
আহমদ শাহ
দুররানির জীবনীগ্রন্থ
লিখেছিলেন? প্রশ্নটি
স্বয়ং গান্ডা
সিং তার
আহমদ
শাহ দুররানি : ফাদার অব
মডার্ন আফগানিস্তান গ্রন্থের
ভূমিকায় উত্থাপন
করেছিলেন। জবাব
দেয়ার কাজটা
অবশ্য তারই
ছিল এবং
তিনি তা
দিয়েছেনও। ইতিহাসে
শিখ ও
আফগানদের সাক্ষাৎ
হয়েছে খোলা
তরবারি হাতে,
যুদ্ধক্ষেত্রে। কিন্তু
গান্ডা সিং
লিখেছেন কেউ
যদি এ
দুই জাতির
মানুষকে সূক্ষ্মভাবে
পর্যবেক্ষণ করেন,
তাহলে দেখবেন
যে তাদের
মধ্যে অনেক
সাদৃশ্য রয়েছে।
শারীরিক গঠন,
মানসিক গড়ন
এবং চারিত্রিক
বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের
প্রায় একই।
গান্ডা সিং
লিখেছেন, তিনি
আরো অনেক
শিখের মতোই
বড় হয়েছেন
আহমদ শাহ
দুররানিকে একজন
ডাকাত সর্দার
হিসেবে শুনে
শুনে, যিনি
লুটপাট করতে
বারবার ভারত
আক্রমণ করেছেন।
কিন্তু পরবর্তী
সময় ইতিহাস
ঘাঁটতে গিয়ে
তার ধারণা
বদলাতে থাকে।
দুররানির বিভিন্ন
বৈশিষ্ট্য তাকে
মুগ্ধ করে।
তিনি খুঁজতে
থাকেন আহমদ
শাহ দুররানি
বা আবদালির
জীবনী। কিন্তু
দেখেন সে
রকম কিছু
নেই। তখন
তিনি নিজেই
উদ্যোগী হন
আহমদ শাহ
দুররানির ইতিহাস
লিপিবদ্ধ করতে।
গান্ডা সিংয়ের
মতে, আহমদ
শাহ ছিলেন
জন্মসূত্রেই যোদ্ধা,
নেতৃত্বগুণসম্পন্ন, মানবিক
শাসক, দক্ষ
প্রশাসক এবং
শিক্ষা-সাহিত্যের
পৃষ্ঠপোষক।
আলেকজান্ডার ডাও
১৭৬৭ সালে
আহমদ শাহ
সম্পর্কে একটি
বিবরণী লিখেছিলেন।
সে সময়
আহমদ শাহের
বয়স ছিল
৪৫ বছর।
ডাও লিখেছেন,
তিনি লম্বা
ও বলিষ্ঠ,
শরীরে কোনো
মেদ নেই।
তার মুখমণ্ডল
বেশ চওড়া,
তার দাড়ি
মিশমিশে কালো,
গাত্রবর্ণ পরিষ্কার।
সব মিলিয়ে
তার ব্যক্তিত্ব
রাজকীয়, চেহারায়
অসাধারণ মর্যাদাবোধ
ও মানসিক
শক্তির প্রকাশ
দেখা যায়।
তার চেহারা
ও শারীরিক
গড়ন নিয়ে
এত বর্ণনা
কোনো কোনো
পাঠকের বিরক্তি
উৎপাদন করতে
পারে। কিন্তু
ব্যক্তি আহমদ
শাহ ও
অন্যদের ওপর
তার প্রভাব
বুঝতে এ
বৈশিষ্ট্যগুলোর সন্ধান
করা প্রয়োজন।
কারণ তার
ব্যক্তিত্ব ও
চেহারা অনেক
প্রভাবশালী ব্যক্তিদের
দৃষ্টি আকর্ষণ
করেছিল। কৈশোর
থেকেই তিনি
নাদির শাহের
দৃষ্টি আকর্ষণ
করেছিলেন এবং
নাদির তার
ওপর প্রশংসা
বর্ষণ করেছেন—‘ইরান,
তুরান কিংবা
হিন্দুস্তানে আমি
আহমদ আবদালির
মতো প্রতিভাবান
কাউকে দেখিনি।’
বলাই বাহুল্য
নাদির শাহের
এ ভবিষ্যদ্বাণী
সত্য হয়েছিল।
১৭৩৯ সালে
আহমদকে দিল্লির
লাল কেল্লার
দিওয়ান-ই-আমের
কাছে কারাগারের
ফটকে প্রথমবারের
মতো দেখেছিলেন
দাক্ষিণাত্যের নিজাম-উল-মুলক
আসফজাহ; সেই
প্রথম দেখাতেই
তার মনে
হয়েছিল কিশোর
একদিন বড়
কোনো শাসক
হবে। সাবির
শাহ দরবেশ
তার মধ্যে
দেখেছিলেন নাদির
শাহের উত্তরসূরিকে।
১৭৪৭ সালে
আফগানদের সর্দার
নির্বাচনে অভিজাতদের
প্রায় সবাই
তাকে ভোট
দিয়েছিলেন।
আহমদ শাহ
দুররানির আচরণগত
বৈশিষ্ট্য নিয়ে
এলফিনস্টোন বলেছেন,
‘তিনি
ছিলেন হাসিখুশি,
সদালাপী ও
অমায়িক। রাষ্ট্রীয়
কাজে তিনি
গাম্ভীর্য বজায়
রাখতেন কিন্তু
অন্য সময়ে
তার আচরণ
ছিল সাধারণ।’
আহমদ শাহ
দুররানি ছিলেন
ধার্মিক মানুষ।
আলেমদের তিনি
পছন্দ করতেন।
মোল্লা ও
দরবেশদের তিনি
খুব সম্মান
করতেন। সাবির
শাহের প্রতি
তার ভক্তির
কথা সবারই
জানা। কাবুল
থেকে পাঞ্জাব
আসার পথে
পেশওয়ারের কাছে
শেখ উমরের
প্রতি সম্মান
দেখাতেন। লাহোর
বা বাটালায়
অবস্থানকালেও স্থানীয়
সন্তদের সঙ্গে
সাক্ষাৎ করতে
ভুলতেন না।
১৭৬০ সালের
জানুয়ারিতে তিনি
দিল্লিতে হজরত
নিজামউদ্দিন আউলিয়ার
মাজার জিয়ারত
করেন।
নিজের জবানে
পাক্কা ছিলেন
আহমদ শাহ,
কোনো প্রতিশ্রুতি
দিলে কখনো
ভঙ্গ করতেন
না। ফেরিয়ারের
বর্ণনা মতে,
তিনি মদ
বা অফিম
স্পর্শ করতেন
না। তার
মধ্যে ক্রূরতা
ছিল না।
তিনি সব
শ্রেণীর মানুষের
মধ্যে জনপ্রিয়
ছিলেন। পুরুষদের
বিভিন্ন খেলা,
ঘোড়ায় চড়া
ও শিকার
ভালোবাসতেন। ঘোড়ার
প্রতি তার
বিশেষ ভালোবাসা
ছিল। একটি
বিবরণীতে জানা
যায় একবার
আহমদ শাহকে
বিমর্ষ দেখে
তার কারণ
জানতে চান
শাহ ওয়ালি
খান। জবাবে
আহমদ শাহ
দুররানি জানান,
‘আমার
ঘোড়া তার্লান
অসুস্থ।’ এ
কথা শুনে
ওয়ালি খান
আবার বলেন,
‘রাজকীয়
আস্তাবলে তো
হাজার হাজার
ঘোড়া আছে।’
এবার শাহ
জবাবে বললেন,
‘অনেক
খোঁজের পর
আমি দো-আসপাহ
(দুটি ঘোড়ার
মালিক; তার্লান
ও হামদাম)
হয়েছি। এখন
তাদের একটি
অসুস্থ। আমার
মন খারাপ
লাগছে কারণ
হয়তো আবার
আমি য়াক-আসপাহ
(মাত্র একটি
ঘোড়ার মালিক)
হয়ে যাব।’
পোশাকের ব্যাপারে
কোনো আড়ম্বর
ছিল না
আহমদ শাহের।
পোশাক দেখে
তার অধীনস্থ
বিভিন্ন দলের
প্রধান কিংবা
অভিজাতদের থেকে
তাকে আলাদা
করা যেত
না। তিনি
বসতেন একেবারে
সাধারণ চেহারার
একটি সিংহাসনে।
আহমদ শাহ
দুররানির আনুষ্ঠানিক
শিক্ষাগ্রহণ সম্পর্কে
তেমন কিছু
জানা যায়
না। কিন্তু
যে কেবল
শিক্ষিত ছিলেন
তা নয়,
বরং তিনি
আফগানিস্তানের জাতীয়
ভাষা পশতুতে
তার দারুণ
দখল ছিল।
ধারণা করা
হয় কৈশোরে
তিনি মসজিদভিত্তিক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পশতু
ও ফারসি
ভাষা শিক্ষা
পেয়েছিলেন। তিনি
কবিতার সমঝদার
ছিলেন। তিনি
নিজে কবিতা
লিখতেন। তার
কবিতার গঠন
ছিল ঐতিহ্যবাহী
এবং ভাষার
ব্যবহার সরল।
কিন্তু আবেগের
ভাবে সেগুলো
বিশিষ্টতা পেয়েছে।
তার কবিতার
সংকলন গ্রন্থ
১৯৪০ সালে
কাবুল থেকে
প্রকাশিত হয়
লো
আহমাদ শাহ
বাবা
শিরোনামে। আহমদ
শাহ বাটালার
কবি ওয়াকিফের
ভক্ত ছিলেন,
তিনি কবিতা
শুনতে কবিকে
কান্দাহারে তার
দরবারে আমন্ত্রণ
জানিয়েছিলেন।
আহমদ শাহ
দুররানি কোনো
আত্মজৈবনিক রচনা
কিংবা অন্য
কোনো লেখা
রেখে যাননি,
যা পড়ে
তার গদ্যভাষার
কোনো মূল্যায়ন
করা যেতে
পারে। তারিখ-ই-আহমাদ
শাহি এর
লেখক মাহমুদ-উল-মুসান্নাই
আমাদের জানিয়েছেন
যে তিনি
মীর মেহেদী
খান আস্ত্রাবাদীর
তারিখ-ই-নাদিরি
গ্রন্থের ভাষা
ও রীতির
ভক্ত ছিলেন।
আহমদ শাহ
এই মীর
মেহেদীর মতো
কাউকে খুঁজছিলেন,
যে তার
ইতিহাস লিপিবদ্ধ
করবে।
তখনকার দিনে অস্ত্রের চেয়ে কলমের শক্তি বেশি ছিল এমন কথা জোর দিয়ে বলার উপায় নেই। বরং যুদ্ধই ছিল রাষ্ট্র ও জীবনের কেন্দ্রীয় বিষয়। তাই যুদ্ধই ছিল শিল্প আর এ শিল্প ছাড়া অন্যদিকে মনোযোগ দেয়ার সুযোগ আহমদ শাহের প্রায় ছিলই না। দুটো সামরিক অভিযানের মধ্যে যেটুকু সময় তিনি পেতেন তা চলে যেত নতুন এলাকায় শাসন প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতিতে। শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য তার হাতে তেমন সময় কখনই ছিল না। এ রকম পরিস্থিতিতেও কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন তিনি। বাটালার ওয়াকিফ ছাড়াও তার আরো একজন প্রিয় কবি ছিলেন সিয়ালকোটের নিজাম-উদ-দীন। ১৭৫৭ সালে আহমদ শাহ যখন দিল্লি থেকে দেশে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন সিয়ালকোট থেকে নিজাম তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বহরের সঙ্গে কাবুলে চলে আসেন। ১৭৪৯ সালে নিজাম কাব্যের ছন্দে নাদির শাহের জীবন নিয়ে রচনা করেন নাদির নামাহ। আহমদ শাহ নিজাম-উদ-দীনকে দায়িত্ব দেন তার জীবনকাহিনী লিপিবদ্ধ করার। এজন্য তাকে আহমদ শাহের প্রশাসনের পক্ষ থেকে দরকারি দলিলাদি সরবরাহ করা হয়েছিল। ১৭৬২ সালে তিনি কাশ্মীরে চলে যান এবং সেখানেই শেষ করেন শাহ-নামাহ-ই-আহমাদিয়া, এটি ৬১৪ পৃষ্ঠার এক মসনবী। গ্রন্থটি আহমদ শাহের শাসনামলের কাব্যিক বিবরণী। এতে শাহের মৃত্যু ও তার পুত্র তৈমুর শাহের সিংহাসনে আরোহণের ঘটনারও উল্লেখ আছে।
আহমদ শাহ
ভবন ও
শহর নির্মাণে
দারুণ আগ্রহী
ছিলেন। নাদির
শাহের কান্দাহার
ধ্বংস করার
কারণে তিনি
বিপদে পড়েছিলেন।
পানিপথের তৃতীয়
যুদ্ধে জয়ের
পর তিনি
আফগানিস্তানে ফিরে
আধুনিক কান্দাহারের
(কান্দাহার-ই-আহমদ
শাহি) ভিত্তি
স্থাপন করেন।
নগরের উত্তরাংশে
তিনি রাজকীয়
দুর্গ নির্মাণ
করেন। এ
কাছেই নির্মাণ
করে জামে-ই-শাহি
মসজিদ। ১৭৫৩
সাল থেকে
তিনি কাবুল
শহরের দিকে
মনোযোগ দেন
এবং সেখানে
বিভিন্ন ধরনের
স্থাপনা নির্মাণ
শুরু করেন।
১৭৫৬-৫৭
সালে তিনি
মেহরাব খান
ও আবদুল
করিম খানকে
পবিত্র নগরী
মক্কাতে প্রেরণ
করেন সেখানে
আফগান হজযাত্রীদের
জন্য বিশ্রামঘর
নির্মাণের জন্য।
আহমদ শাহ
নির্মাণ শ্রমিক
ও কাঠ
খোদাই শিল্পীদের
বড় একজন
পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
তিনি এসব
কাজে দক্ষদের
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চল
ও ভারত
থেকে আমন্ত্রণ
করে নিয়ে
আসেন। এদের
মহল্লা-ই-বিনায়ান
নামে একটি
পৃথক কলোনিতে
বসবাসের ব্যবস্থা
করা হয়।
কলোনিটি বিংশ
শতাব্দীতেও টিকে
ছিল এবং
মূল অধিবাসীদের
বংশধররাই বসবাস
করছিলেন।
সংগীত ও
চিত্রকলা নিয়ে
আহমদ শাহের
খুব বেশি
আগ্রহ ছিল
না। তার
একটি প্রতিকৃতি
এখনো টিকে
আছে। এটি
লাহোরের কেন্দ্রীয়
জাদুঘরে সংরক্ষিত
আছে। তার
জীবনের শেষ
সময় একটি
প্রতিকৃতি আঁকা
হয়েছিল।
গান্ডা সিং
আহমদ শাহ
দুররানিকে একজন
মানবিক শাসক
হিসেবে বর্ণনা
করেছেন। তার
কথায়, অপ্রয়োজনে
তিনি কখনো
তলোয়ার খাপমুক্ত
করতেন না।
তিনি তার
ঘোরতর শত্রুকেও
সহজে শাস্তি
দিতে চাইতেন
না। অনেক
বিদ্রোহী নেতাকে
তিনি ক্ষমা
করে দিয়েছেন
এবং তাদের
সঙ্গে শান্তি
স্থাপন করেছেন।
বিভিন্ন অপরাধে
তখন আফগানিস্তানে
নাক বা
কান কেটে
দেয়ার প্রথা
চালু ছিল,
আহমদ শাহ
এ অমানবিক
শাস্তি নিষিদ্ধ
করেছিলেন। দাসকে
হত্যা করার
ক্ষেত্রে মালিকদের
যে অধিকার
ছিল তা
তিনি রদ
করেন। বিদ্রোহী
সর্দার যাল
বেগ খানকে
হত্যার জন্য
তিনি নিজের
জ্যেষ্ঠ পুত্রকে
তিরস্কার করেছিলেন।
তার মতে,
এ ধরনের
হত্যাকাণ্ড কেবল
শত্রুতা বাড়ায়
এবং মানুষের
চরিত্র থেকে
দয়ার বৈশিষ্ট্যটি
হারিয়ে যায়।
ভারতে আহমদ
শাহের বাহিনীর
নিপীড়নের ক্ষেত্রে
গান্ডা বেগ
মুখ্যত দায়ী
করতে চান
তার সেনাপতি
সর্দার জাহান
খানকে। এই
জাহান খান
ছিলেন চারিত্রিকভাবে
আহমদ শাহের
অ্যান্টিথিসিস। জাহান
খানের চরিত্র
ছিল নিষ্ঠুর,
বিদেশীদের সঙ্গে
তিনি প্রতিশোধমূলক
মনোভাব দেখাতেন।
আহমদ শাহ
দুররানির মূল
সাফল্য ছিল
আফগান জনগণের
আস্থা অর্জন।
তিনি আফগানিস্তানের
বিবদমান অনেক
গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ
করে আধুনিক
আফগান জাতি
গঠনে ভূমিকা
রেখেছিলেন। তার
বড় কৃতিত্ব
তিনি আফগানদের
বিদেশী শাসনের
জোয়াল থেকে
মুক্ত করেছিলেন।
বিভক্ত অঞ্চলগুলোকে
ঐক্যবদ্ধ করে
রাজনৈতিক পরিচয়
আফগানিস্তান প্রতিষ্ঠা
করেন। ‘দেশটি
এখন আফগানিস্তান
নামে পরিচিত,
এটি আগে
কতগুলো রাজ্যে
বিভক্ত ছিল
যেগুলো শাসন
করতেন অত্যাচারী
শাসকরা। তারা
আবার মাঝে
মাঝেই নিজেদের
মধ্যে যুদ্ধে
জড়াতেন। পরবর্তী
সময় এ
অঞ্চল বিদেশী
শাসনের অধীন
চলে যায়
এবং বিদেশী
কিংবা তাদের
বংশোদ্ভূতদের দ্বারা
শাসিত হতে
থাকে। এখন
প্রথমবারের মতো
আফগানিস্তান স্বাধীন
রাষ্ট্রে পরিণত
হয়েছে’—বলেন
স্যার পার্সি
সাইকস।
শানজিদ অর্ণব: লেখক ও সাংবাদিক





