রোববারের নিথর বিকেলে শহর-সীমানায় এক সময়ের বিস্তৃত রবিবাসরীয় বাজারে, রেগাল চকের আশপাশের রাস্তার ধারের বই-বাজারে, কিংবা ফ্রেরেরি হলের ময়দানে সাপ্তাহিক বইমেলায় (মার্কিন কনস্যুলেটের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ার কারণে বেশ কয়েক বছর বন্ধ ছিল) যেসব বিস্ময় জাগানো শিরোনামের মুখোমুখি হয়ে থাকেন কেউ— কাম ফ্লাই উইথ মি (ক্যাপ্টেন জনি সাদিক), দি ইনটেনশন এক্সপেরিমেন্ট: ইউজিং ইউর থটস টু চেঞ্জ ইউর লাইফ অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড (লিনে ম্যাকট্যাগার্ট), দ্য লিটারেরি কম্পিটিশন টু সেক্স (ফিওনা পিটকেথলি), দি আর্ট অব ওয়ার (সান যু), ইন্ট্রোডাকশন টু মডার্ন ফিলিপিনো লিটারেচার (ই. স্যান হুয়ান, জুনিয়র), রেসিং অ্যাগেইনস্ট টাইম: দি অ্যাক্টর’স হ্যান্ডবুক ফর ওয়ার্কিং ইন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন (ড্যানিয়েল কার্টার), ক্রিয়েটিং উইথ পলিমার ক্লে (স্টিভেন ফোর্য ও লেসলি ডিয়ের্ক্স), দ্য মাউন্টেনস অব সার্বিয়া: ট্রাভেলস থ্রু ইনল্যান্ড যুগোস্লাভিয়া (অ্যান কিন্ডারসলি), উইন্ডস অব চেঞ্জ, শ্রীমত ভগবতম (এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপদ) এবং টেন থাউজেন্ড ড্রিম্স ইন্টারপ্রিটেড (গুস্তাভাস হিন্ডমান মিলার)— সেগুলোর ভেতর গত এক দশকের সিংহভাগ জুড়ে ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি পাইরেটেড সাহিত্যিক কাহিনীর ভেতর রয়েছে— মাই নেম ইজ রেড (অরহান পামুক), ইমমর্টালিটি (মিলান কুন্ডেরা), এবং অবশ্যই ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অব সলিচ্যুড এবং লাভ ইন দ্য টাইম অব কলেরা (গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস)।১

 

আমাদের একে অন্যের অভিজ্ঞতায়, পরস্পরের কাহিনীতে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেয়া অনুবাদ কোনো কারুপণ্য নয়, বরং শিল্পকলা এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও। কল্পনা করুন, আমরা যদি আমাদের পশম জড়ানো পূর্বপুরুষদের মতো জোট বেঁধেই পড়ে থাকতাম— নিজেদের ভেতর গুটিসুটি হয়ে থাকা বহু দূরের একেকটা গোত্র। মহাভারত, ইলিয়াড, আ থাউজেন্ড অ্যান্ড ওয়ান নাইটস, রুমির ভাবনা, সেরভান্তেসের মহাকাব্য বিহীন দুনিয়ার কথা ভাবুন: ফ্লবার্ট, প্রোস্ত, চেখভ, তলস্তয়, দস্তয়েভস্কি বিহীন। কল্পনা করুন সংস্কৃত, গ্রিক, আরবি, ফার্সি, স্প্যানিশ, ফরাসি আর রাশিয়ান ভাষা শেখার কথা। আর চীনা ভাষার বেলায়?

‘দ্য ওয়ান্ডারফুল্লি ইউসিভ চাইনিজ নভেল’২ নামে এক চমত্কার চিন্তাজাগানিয়া লেখায় প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির ইস্ট এশিয়ান স্টাডিজের প্রফেসর ইমেরিটাস পেরি লিঙ্ক আমেরিকান ছাত্রদের চীনা ভাষা তালিম দেয়ার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন: ‘সবচেয়ে অবাক করা যে প্রশ্নটি আমি পেয়েছি সেটা হলো, “প্রফেসর লিঙ্ক, চীনা-র প্রতিশব্দটা কি?” প্রশ্নটার কোনো মানে হয় না বলার লোভ হয়েছে...ইংরেজি ও চীনা ভাষার মতো এত দূরবর্তী ভাষার ক্ষেত্রে যেখানে এমনকি ব্যাকরণগত বিভাজনগুলো পর্যন্ত ভিন্নভাবে গ্রহণ করা হয়, সেখানে সরাসরি সমার্থক শব্দ পাওয়া সম্ভব নয়।’ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ‘বই’-এর মতো একটি বাস্তব ও স্পর্শযোগ্য নজির টেনেছেন তিনি। দৃশ্যত বইয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থের শব্দটি হলো শু। কিন্তু শু আবার লেখা বা হরফ বা ক্যালিগ্রাফি কিংবা কৌতূহলোদ্দীপকভাবে ‘বই-এর মতো’ও বোঝাতে পারে। কোনো চীনা বইয়ের দোকানে বই চাইতে হলে ‘একটা বইয়ের মতো কিছুর ভলিউম’-এর কথা বলতে হবে আপনাকে।

উর্দুতে বইয়ের সমার্থক শব্দ থাকলেও আমাদের ভাষার নিজস্ব সমস্যা আছে। ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের গোড়ার দিকের অনুবাদকদের একজন; ভিক্টর কিয়েরমান লিখেছেন, ‘উর্দু বলা যেতে পারে কবিদের নিজের সুবিধার খাতিরে তাদের হাতেই তৈরি।’ প্রকৃতপক্ষেই কঠিন তাল, ছন্দ, ধুয়া আর অনুপ্রাসপ্রধান কাঠামো এবং ফার্সি উপমায় ভরপুর উর্দু কবিতা নানামুখী চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা একটা প্রয়াস— বেপরোয়া এবং হঠকারীর প্রয়াস।

উদাহরণ হিসেবে আমাদের সাহিত্যের সেরা সূচনা পঙিক্তগুলোর কথা মনে করুন: ‘নকশ ফরিয়াদি হায় কিস কি শোখি-ই-তাহরির কা, কাগজি হায় পেয়ারাহাঁ হর পায়কার-ই-তাসবির কা।’ ইংরেজি তর্জমায় এই দ্বিপদী পরিণত হয়েছে: ‘the drawing/picture is a plaintiff-about whose mischievousness of writing?/Of paper is the robe of every figure of the picture.’

দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা বোধের অতীত; শুরুতেই উপমাগুলো স্রেফ যাচ্ছে না। কিন্তু এখানে সন্দেহ নেই যে, গালিবের দিওয়ানের ফ্রান্সিস প্রিচেটের অসাধারণ, সত্যিকার অর্থেই পরিশ্রমসাপেক্ষ ওয়েবভিত্তিক তর্জমা একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। আর গালিব তো সুবিদিতভাবেই চাহিদাপূর্ণ, তুলনারহিত।৩

অবশ্য সবকিছুই অনুবাদে হারিয়ে যায় না: ধ্রুপদী উর্দু কবিতা বিশেষ করে সামাল দেয়ার পক্ষে কঠিন হলেও আধুনিক কবিতা— ফায়েজ অথবা জাফর ইকবাল কিংবা আফজাল আহমেদ সায়ীদ কিংবা আযরা আব্বাসের হোক— অনুবাদের চর্চার ক্ষেত্রে অনেক সহজভাবে নিজেকে সোপর্দ করে। উদাহরণস্বরূপ ফয়েজের অর্থোদ্ধারে কিয়েরমানের প্রয়াস যাচাই করার দাবি রাখে। এবং আমি হয়তো নাওমি ল্যাযার্ডের শিথিল, গীতিময় দ্য ট্রু সাবজেক্টই বেছে নেব, কিন্তু আগা শাহিদ আলির রেবেল’স সিল্যুয়েট-এর কসম খাওয়ার মতো মানুষও আছেন। নিঃসন্দেহে প্রত্যেক অনুবাদকই ভিন্ন ভিন্ন আবেগ নিয়ে আসেন, টেবিলে এক ভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া।

আমাদের কালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব গ্রেগরি রাবাসা গ্রীষ্মে সমীহ জাগানো ৯৪ বছর বয়সে নীরবে বিদায় নিয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোডব্রেকার এই কিউবান-আমেরিকান মার্কেসের তর্জমাকারী হিসেবেই পরিচিত হলেও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পেরুভিয় মারিও বার্গাস ইয়োসা, ন্যাশনাল বুক পুরস্কার বিজয়ী আর্জেন্টীয় হুলিও কোর্তাসার এবং ব্রাজিলের সস্তা লেখক হোর্হে আমাদুর রচনা নিয়েও কাজ করেছেন তিনি। প্রকৃতপক্ষে রাবাসাই আধুনিক দক্ষিণ আমেরিকান সাহিত্যকে দুনিয়ার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। কি অসাধারণ সাফল্য!

কোন জিনিসটা রাবাসাকে রাবাসায় পরিণত করেছে? ভাবতে পারেন কেউ? কোন জিনিসটা একজন ভালো অনুবাদক, একটা ভালো অনুবাদ সৃষ্টি করে? প্রফেসর লিঙ্কের মতে, ‘সাহিত্যিক অর্থ বজায় রেখে পাঠককে মূল ভাষায় কতটা টেনে আনতে হবে আর কতটা সংযত হয়ে আরো স্বাধীন থেকে এক ধরনের তুলনামূলক অভিজ্ঞতা জোগাতে হবে তার ভেতর একেবারে মৌলিক দ্বন্দ্ব।’

ল্যাযার্ড এ প্রক্রিয়াকে কিছুটা ভিন্নভাবে চরিত্রায়িত করছেন: ‘আমার নিজের ভাষা কি করতে পারে বা পারে না, সেটা শিখেছি আমি...আমি জানতে পেরেছি যে, তাতে কিছু এসে যায় না...আমার নিজের লেখা কোনো কবিতার ইংরেজিতে হুবহু একইভাবে কাজ করার জন্যে কতবার একটি কবিতাকে পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যেতে হবে...একে অবশ্যই একই অনুভূতি আর সুর নিয়ে নিজস্ব আত্মায় বিচরণ করতে হবে। এর অবশ্যই একই রকম সংগীত, একই অভিমুখ থাকতে হবে এবং সবচেয়ে বড় কথা, উর্দুতে যে অর্থ প্রকাশ করেছিল, ইংরেজিতেও সেই একই অর্থ বোঝাতে হবে।’৪

রাবাসা এক ধরনের নাটকীয়ভাবে ভিন্ন কায়দায় কাজ করেছেন। তিনি পড়ার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন বলেই সুবিদিত। ‘প্রথম পাঠের যেমন তরতাজা ভাব দেয়ার কথা অনুবাদ-কে এটা তাই দেয়ার এবং অন্যের অনুবাদ পাঠে প্রথম অনুভূতি জোগানোর অজুহাত দিয়েছি আমি।’ পরিণামে সম্ভবত মার্কেস বলেছিলেন যে, ‘কারো মনে হবে যে, অনুবাদক আগে বইটি পড়েছেন এবং তার পর নিজের স্মৃতি থেকে নতুন করে লিখেছেন...আমার মনে হয় আমার লেখা পূর্ণাঙ্গভাবেই ইংরেজিতে নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছে।’৫ আমাকে একমত হতেই হবে যে—অনূদিত ভাষায় কোনো একটি লেখাকে কার্যকর হতে হবে। পরিণামে মূলের প্রতি কঠোর আনুগত্য সমালোচনাযোগ্য নয়।

অবশ্য এ পদ্ধতির বিপদও আছে। যেমন ধরা যাক, সর্বশ্রেষ্ঠ উর্দু৬ ঔপন্যাসিক কুররাতুল আইন হায়দারও তাঁর ম্যাগনাম ওপাস আগ কা দরিয়া নতুন করে সৃষ্টির প্রয়াস পেয়েছিলেন। মূল রচনাটি শুরু হয়েছিল বিরাট অনুপ্রাসময় ঘোষণা, দুর্দান্ত ছন্দ আর সাবলীলতা নিয়ে:

গৌতম নিলাম্বর নে চালতে চালতে ঠিকটাক কর পিছে দেখা। রাস্তে কি ধুল বারিশ কি ভাজ সে কাম হো চুকি থি। গো আস কি আপনি পাউন মিট্টি সে আত্তে পাররে থে। বারসাত কি ভাজ সে ঘাস আউর দারাখত যামারুদ কি রঙ কি দিখাই পার রাহে থে।

দ্য রিভার অব ফায়ার শুরু হয়েছে: ‘এটা ছিল মৌসুমের গৌতমের দেখা প্রথম বীরবাহুতি। বৃষ্টির পতঙ্গের ভেতর সবচেয়ে সুন্দর, ঈশ্বরের নিজস্ব লাল মখমলে মোড়ানো বীরবাহুতিকে বলা হতো ইন্দ্রের স্ত্রী, মেঘ দেবতা। এটা ঘাসের ডগায় হামাগুড়ি দিচ্ছে। পুবালী হাওয়ার একটা ঝাপ্টা ভেজা জমিনে নামিয়ে আনল ওটাকে।’

যে কেউ গদ্যের সামগ্রিক একঘেয়েমি, বাক্য থেকে বাক্যে আকস্মিক পরিবর্তন, বীরবাহুতির অনুবাদ হিসেবে ‘লেডিবার্ড’ বেছে না নেয়ার বিষয়গুলোর ব্যতিক্রম লক্ষ করতে পারেন। হায়দারের অনুবাদের কাজটি অন্য কারো ওপর ছেড়ে দেয়া উচিত ছিল কিনা ভাবতে পারেন কেউ। আব্দুল্লাহ হোসেন তা ভবেননি; তিনি স্বয়ং উদাস নাসলেইন-এর দ্য ওয়েরি জেনারেশন-এ তর্জমা করতে বাধ্য মনে করেছেন নিজেকে। শামসুর রহমান ফারুকির বেলায়ও তাই।

আমাদের ইংরেজি থেকে উর্দুতে রূপান্তরের কাজে নিয়োজিত বেশ কয়েকজন অসাধারণ অনুবাদক আছেন যদিও— দুনিয়াযাদে শহীদ হামীদ, আসিফ ফারুকি এবং আজ পাবলিকেশনসে আজমল কামালের নাম মনে পড়ছে— উর্দু থেকে ইংরেজি অনুবাদকের সংখ্যা ঢের কম।৭ দীর্ঘদিনের পুরনো— মুহাম্মদ উমর মেমন, সি.এম. নাঈম, খালিদ হাসান— ফুরিয়ে গেছেন, পরের প্রজন্মকে মোটের ওপর অযোগ্য বলেই মনে হচ্ছে।৮ পরিণামে সমসাময়িক উর্দু সাহিত্য বৈশ্বিক আলোচনায় অনেকাংশেই নির্জীব হয়ে পড়ছে।

ব্রিটিশ কোম্পানি ল্যাডব্রোকসের তথ্য অনুযায়ী, বব ডিলান পকেটস্থ করার আগে একজন আলবেনীয় ও একজন কেনীয় ইসমাইল কাদারে ও নগুগি ওয়া থিওঙ’ও ২০১৬ সালের নোবেল পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু কোনো উর্দু লেখক কেন গুরুত্বের সাথে বিবেচনায়৯ আসেননি, আজ, গতকাল বা সত্যি বলতে গত শতকে? কোথায় আমাদের গ্রেগরি রাবাসা?

 

 

১.  এই নিয়মের ব্যতিক্রমও আছে, যেমন অরুন্ধতী রায়ের গড অব স্মল থিংস এবং অরবিন্দ আদিগার হোয়াইট টাইগার, যদিও দুটোই কিছুটা ভিন্ন ধারার অন্তর্ভুক্ত।

২. সাঈদের রচনাটি মিলবে নিউইয়র্ক বুক টাইমস রিভিউ’র এপ্রিল ২৩, ২০১৫ সংখ্যায়।

  1. www.columbia.edu/itc/mealac/prichett/00ghalib/ ghazal_index.html-G প্রিচেটের রচনা পাওয়া যাবে|

৪. নাওমি ল্যাযার্ড, দ্য ট্রু সাবজেক্ট (প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস)।

৫. গার্ডিয়ান, জুন ২২, ২০১৬ সংখ্যা থেকে, রাবাসার মৃত্যু সংবাদ।

৬. একদিক থেকে হায়দারের কল্যাণেই আমি আজকের আমি। আমার দাদা-দাদির বিয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনিই।

৭. অতীতে অবশ্যই হাসান আস্কারি আর সাগির মালাল ছিলেন।

৮. এই নিয়মের বেশকিছু ব্যতিক্রম আছে, এদের ভেতর উল্লেখযোগ্য হলো রাখশান্দা জলিলের তর্জমায় ইন্তিজার হুসেইনের দ্য সি লাইজ অ্যাহেড, ইবনে শাফিকে নিয়ে বিলাল তানভিরের রচনা এবং দুরদানা সুমরোর আসন্ন মুসতানসার হুসেইন তারারে আয়ি গাযল-ই-শাহ যে কাউকেই উত্তেজিত করবে।

৯. ফয়েজ আহমেদকে এককালের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে, যদিও নোবেল কমিটি দীর্ঘ বা হ্রস্ব তালিকা প্রকাশ করে না।

[ডন-এর ১৩ নভেম্বর সংখ্যার গ্রন্থ ও লেখক পাতায় প্রকাশিত। ]

 

এইচ.এম. নাকভি ২০০৯ সালে র্যান্ডম হাউজ থেকে প্রকাশিত হোম বয়-এর পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক; তার প্রথম উপন্যাসটি জার্মান, ইতালিয়ান ও পর্তুগিজ ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং জুপিটার লিটারেচার ফেস্টিভ্যালে ডিএসসি পুরস্কার লাভ করেছে। নাকভি আর্থিক সেবা খাতে কাজ করেছেন, বস্টন ইউনিভার্সিটিতে সৃজনশীল রচনার ওপর শিক্ষকতা করেছেন এবং ক্যারাভান, ফোর্বস এবং ফ্রিম্যান-এর জন্য লিখেছেন। আগামী বছর হার্পারকলিন্স থেকে তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাসটি প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রূপান্তর: এস. হোসেন