জানুয়ারির সকাল নিয়ে কবিতা লিখেছেন উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস, রিচার্ড উইলবার, ১৯৩৯-এর জানুয়ারি এসেছে ডিলান টমাসের কবিতায়; ফেব্রুয়ারির অপরাহ্ন নিয়ে কবিতা সাজিয়েছেন হেনরি ওয়ার্ডসওয়ার্থ-লংফেলো, চার্লস সুইনবার্ন লিখেছেন মার্চ-বন্দনা, এপ্রিলে রবার্ট লুই স্টিভেনসনের অন্তরের গোলাপ বিকশিত হয় কিন্তু টিএস এলিয়টের কাছে ‘এপ্রিল ইজ দ্য ক্রুয়েলস্ট মান্থ’; কবিতার কমতি নেই কোনো মাসেই। তবে সেপ্টেম্বরে যেন কবিতার উত্সব। সেপ্টেম্বর কবিতাগুলোকে ছাপিয়ে বব ডিলানের সুরে বেজে ওঠে অ্যালেন গিনসবার্গের ‘সেপ্টেম্বর অন যেশোর রোড’।
আরো কিছু বিখ্যাত সেপ্টেম্বর কবিতা:
উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস: সেপ্টেম্বর
অলিভার ওয়েন্ডেল হোমস: সেপ্টেম্বর গেইল
প্যাট্রিক কাভানাগ: অ্যান অ্যাপল রাইপ সেপ্টেম্বর মর্নিং
ডব্লিউ এইচ অডেন: সেপ্টেম্বর ১, ১৯৩৯
হাওয়ার্ড নেভেরভ: সেপ্টেম্বর দ্য ফার্স্ট ডে অব স্কুল
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ: কম্পোজড অন ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ সেপ্টেম্বর ৩, ১৮০২
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ: সেপ্টেম্বর ১৮১৯
চার্লস সুইনবার্ন: দ্য হল বিফোর রোম: সেপ্টেম্বর ১৮৬৭
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এবং ‘কম্পোজড অন ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ সেপ্টেম্বর ৩, ১৮০২’ নিয়ে এই নিবন্ধটি রচিত।
ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের ওপর রচিত, ৩ সেপ্টেম্বর ১৮০২
একালের কবিতা পাঠকের কাছে স্বীকার করতেই হবে, উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ উপেক্ষিত। এই ইংরেজ কবির ‘দ্য ড্যাফোডিলস’ আমাদের কেবল স্কুলপাঠ্যই ছিল না, এ কবিতা থেকে প্রশ্ন আসবেই এটাও প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় কবিতাটি আমাদের বেশ ভালো করেই পড়তে হয়েছে।
পাহাড় ও উপত্যকার ওপর নিঃসঙ্গ মেঘের মতন কবি যখন ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন হঠাত্ তাঁর চোখে পড়ে লেকের ধারে গাছের নিচে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাতাসে নৃত্যরত সোনালি ড্যাফোডিল। কবি যখন এই দৃশ্য থেকে অনেক দূরে সরে যান, শুয়ে থাকেন শূন্য কিংবা বিষণ্ন মনে, তাঁর অন্তর্চক্ষুর সামনে উদ্ভাসিত হয় নৈঃসঙ্গের আশীর্বাদ, তাঁর অন্তর পরিপূর্ণ হয়, নেচে ওঠে ড্যাফোডিলের সঙ্গে।
অন্তত পরীক্ষার কারণে হলেও এই কবিতার স্মৃতি আমরা অনেকেই লালন করছি। সেই কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের আর একটি ‘Composed upon Westminster Bridge, September 3, 1802’ ২১৪ বছর আগে রচিত। ১৮০৭ সালে দুই খণ্ডে প্রকাশিত ‘পোয়েমস’-এ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
এর চেয়ে সুন্দর আর কিছু পৃথিবীর দেখাবার নেই
এমন রাজকীয় দৃশ্য, যা হূদয় ছুঁয়ে যায়
এ দৃশ্য যে এড়িয়ে যায় অন্তরে বড় নির্বোধ সে
এই শহর এখন পোশাকের মতো পরেছে
সকালের সৌন্দর্য; নিঃশব্দ, নিরাবরণ
জাহাজ, টাওয়ার, চূড়া, থিয়েটার এবং মন্দির
মেলে ধরেছে মাঠের দিকে, এবং আকাশে
ধোঁয়াহীন বাতাসে উজ্জ্বল, দীপ্যমান সবই।
সূর্য আগে কখনো এত সুন্দরভাবে আলো ছড়ায়নি
প্রভাতে প্রথম প্রকাশে, উপত্যকা, প্রস্তর কিংবা পাহাড়ে কখনো দেখিনি আগে, অনুভব করিনি এমন
গভীর প্রশান্তি। ইচ্ছেমতো নদী বয়ে যায়।
প্রিয় ঈশ্বর! বাড়িগুলো মনে হয় ঘুমিয়ে আছে
এবং প্রবল অন্তর এখনো শুয়ে, নিশ্চুপ।
১৮০২ সালের গ্রীষ্মকালে কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর বোন ডরোথিকে নিয়ে লেইক ডিস্ট্রিক্ট থেকে লন্ডন হয়ে ফ্রান্সের ক্যালেই যাচ্ছিলেন। সেখানেই থাকেন অ্যানেট ভ্যালোন, ওয়ার্ডসওয়ার্থ যাকে বিয়ে করতে প্রতিশ্রুত ছিলেন এবং তাঁর কন্যা ক্যারোলাইন।
সেপ্টেম্বরের কবিতার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত এই কবিতাটি আসলে ৩ সেপ্টেম্বর রচিত হয়নি বলেই বিশেষজ্ঞদের অভিমত। সাক্ষ্য হিসেবে দাঁড়িয়েছে কবির বোন ডরোথির ডায়েরি। তাতে ৩১ জুলাই ১৮০২ চিহ্নিত পৃষ্ঠায় ডরোথি লিখেছেন:
ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে আমরা ডোভার কোচে
(কোচ হচ্ছে ঘোড়াটানা গাড়ি)। খুব সুন্দর সকাল।
শহর, সেন্ট পল গির্জা, নদী, নদীতে বহুসংখ্যক
ছোট নৌকা— আমরা যখন ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ
পার হচ্ছিলাম দারুণ একটি দৃশ্য আমাদের সামনে
হাজির হয়।
উজ্জ্বল সকালের সূর্যের নিচের আলোকিত শহর নিয়ে লেখা কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে। সেখানেই তিনি তারিখটি ভুল করে ফেলেন। এই ভ্রান্তি নিয়েই এটি সেপ্টেম্বরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা।
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
ওয়ার্ডসওয়ার্থের জন্ম লেইক ডিস্ট্রিক্টে কাম্বরিয়ার ছোট শহর ককারমাথে ৭ এপ্রিল ১৭৭০। তাঁর বাবা জন ওয়ার্ডসওয়ার্থ আর্ল অব লন্সডেইলের লিগ্যাল এজেন্ট ছিলেন। তিনি পাঁচ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। ঠিক পরের বছরই বোন ডরোথি ওয়ার্ডসওয়ার্থের জন্ম। কবিতা ও দিনলিপি লিখে ডরোথি বিশেষ খ্যাতিলাভ করেছেন। ওয়ার্ডসওয়ার্থের বয়স যখন আট বছর তখন তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। আত্মীয়রা ভাগবাটোয়ারা করে পাঁচ সন্তানের দায়িত্ব নেন। ওয়ার্ডসওয়ার্থ লালিত হন মায়ের বাবার বাড়িতে। ডরোথিকে নিয়ে যায় মায়ের এক কাজিন। নয় বছর ঘনিষ্ঠ এই দুই ভাইবোনের মধ্যে দেখা হয়নি। পরে বাবার ম্যানসনে বসবাস করলেও বাবা-ছেলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। তিনি বাড়ি ছেড়ে একা একা ঘুরে বেড়ান। গ্রামীণ এলাকায় হকশেড স্কুলে যখন তাঁকে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়, তিনি খুশিই হন। স্কুল পাঠের একটি বড় অংশ ছিল গণিত এবং ধ্রুপদ সাহিত্য। লাতিন সাহিত্যে তাঁর আগ্রহ জন্মে। এর মধ্যে তিনি নাচের কোর্সও করেন। সুখ্যাত এই স্কুল থেকে ওযার্ডসওয়ার্থ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট জনস কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। ততদিনে সাহিত্য তাঁকে পেয়ে বসেছে। তাঁর অন্যতম প্রেরণাদাতা হয়ে ওঠেন স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ। দুজন একসঙ্গে কিছুকাল জার্মানির হামবুর্গে বসবাস করেছেন। ডরোথির প্রেরণায় কোলরিজ ও ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৭৯৮ সালে ‘লিরিক্যাল ব্যালাডস’ প্রকাশ করেন। তাঁর লিরিক্যাল ব্যালাডসের ভূমিকাকে মনে করা হয় ইংলিশ রোমান্টিক ক্রিটিসিজমের ম্যানিফেস্টো। পরের বছর যখন তাঁর ‘প্রিলিউড’ প্রকাশিত হয়, ইংরেজি কবিতায় তাঁর অবস্থান দৃঢ় হলো।
১৭৯১-এর নভেম্বরে ওয়ার্ডসওয়ার্থ ‘বিপ্লবী ফ্রান্স’ সফর করার সময় প্রজাতান্ত্রিক আন্দোলনে মুগ্ধ হন। সেই আন্দোলনের একজন নেত্রী অ্যানেট ভ্যালোনের প্রেমে পড়েন। ১৭৯২ সালে অ্যানেট ক্যারোলাইন নামে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। সন্তানটি ওয়ার্ডসওয়ার্থেরই। ততদিন ইংল্যান্ডের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্ক বৈরী হয়ে ওঠে। আর্থিক সংকটে পড়ে পরের বছরই কবি নিজ দেশে ফিরে আসেন। তিনি যদিও অ্যানেটকে বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তাঁর পরবর্তী আচরণ এবং ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তন তাঁর ঘোষণার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে এটা ঠিক ওয়ার্ডসওয়ার্থ অ্যানেটকে যতটা সম্ভব আর্থিক সাহায্য করেছেন, মেয়ের খোরপোষও জুগিয়েছেন।
ফ্রান্সে অরাজকতা ও ব্রিটিশ বৈরিতা ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ফরাসি বিপ্লবের মোহ থেকে বের করে আনে। তিনি বেশ কবছর ফ্রান্সে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখেন।
পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসার পর ওয়ার্ডসওয়ার্থ ডরোথিকে নিয়ে ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের ওপর দিয়ে ফ্রান্সের ক্যালেই যাত্রা করেন। উদ্দেশ্য অ্যানেট ও ক্যারোলাইনকে দেখা তো বটেই, অন্তর্নিহিত অন্য একটি উদ্দেশ্যও ছিল। ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর শৈশবের বন্ধু ম্যারি হাচিনসনকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। বিয়ে হয়তো আরো আগেই করতেন, কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে কুলিয়ে উঠতে পারেননি। এ সময় লন্সডেইলের প্রথম আর্ল উইলিয়াম লাওথার ওয়ার্ডসওয়ার্থের প্রয়াত বাবার পাওনা ৪ হাজার পাউন্ড তাকে পরিশোধ করলে তার আর্থিক সক্ষমতা ফিরে আসে।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও ডরোথির মিশনটি ছিল এই বিয়ে সম্পর্কে অ্যানেটকে মানসিকভাবে তৈরি করা এবং সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনা করা। ওয়ার্ডসওয়ার্থ এই প্রথম নিজের মেয়েকে দেখলেন। ক্যারোলাইনের বয়স তখন ৯ বছর। তিনি মেয়েকে নিয়ে সমুদ্রের তীরে কিছুটা পথ হাঁটলেন এবং পরে এই স্মৃতি নিয়ে একটি সনেট লিখলেন ‘ইট ইজ আ বিউটিয়াস ইভনিং, কাম অ্যান্ড ফ্রি।’ তিনি মেয়ের জন্য বছরে ৩০ পাউন্ডের একটি ভাতা নির্ধারণ করলেন, ১৮৩৫ পর্যন্ত এটি অব্যাহত ছিল, এর পর তাকে সম্পত্তির ভাগীদার করেন।
১৮০২-এর ৪ অক্টোবর তিনি ম্যারি হাচিনসনকে বিয়ে করেন। তাঁদের তিন পুত্র ও দুই কন্যা : জন ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৮০৩-১৮৭৫), ডোরা ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৮০৪-১৮৪৭), টমাস ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৮০৬-১৮১২), ক্যাথরিন ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৮০৮-১৮১২) ও উইলি ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৮১০-১৮৮৩)।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ততদিনে ইংল্যান্ডের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সমাদৃত। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়। সরকার তাঁর জন্য নির্ধারণ করে বার্ষিক ৩০০ পাউন্ডের পেনশন। ১৮৪৩ সালে পোয়েট লরিয়েট রবার্ট সাউথের মৃত্যুর পর তাঁকে পোয়েট লরিয়েট হওয়ার অনুরোধ জানানো হলে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে প্রত্যাখ্যান করলে প্রধানমন্ত্রী রবার্ট পিল তাঁকে অনুরোধ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, তাকে কোনো কাজ করতে হবে না। ওয়ার্ডসওয়ার্থই একমাত্র পোয়েট লরিয়েট রাজকবি, যাঁকে কোনো দাপ্তরিক কবিতা লিখতে হয়নি।
২৩ এপ্রিল ১৮৫০ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।
টিকা:
ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ
উত্তরে ওয়েস্টমিনস্টার দক্ষিণে ল্যামবেথ। মাঝখান দিয়ে বহমান টেমস নদী। উত্তর ও দক্ষিণের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ। এটি সড়ক যানবাহন এবং হাঁটা সেতু। সেতুর উত্তর দিকটা গাঢ় সবুজ রঙে রাঙানো হাউজ অব কমন্সের সিটের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে আর দক্ষিণ দিকটা লাল হাউজ অব লর্ডসের সিটের রঙের মতন।
৬০০ বছরের অধিককাল ধরে লন্ডন ব্রিজের নিকটতম সেতুটি ছিল কিংস্টনে। ওয়েস্টমিনস্টারে ব্রিজের প্রস্তাব করা হয় ১৬৬৪ সালে, কিন্তু লন্ডন করপোরেশন বাধা দেয়। অনেক বাধার পরও ১৭৩৬ সালে বিলেতের পার্লামেন্ট ব্রিজটি অনুমোদন করে। সুইজারল্যান্ডের স্থপতি চার্লস ল্যাবেলি ব্রিজের নকশা আঁকেন। লটারির অর্থ, ব্যক্তিগত দান এবং কিছু প্রাতিষ্ঠানিক অনুদানে ১৭৩৯ থেকে ১৭৫০-এর মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এই ব্রিজের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে লন্ডন ব্রিজের দুপাশের স্থাপনা সরিয়ে ১৭৬০ থেকে ১৭৬৩-এর মধ্যে এই ব্রিজটির সম্প্রসারণ করা হয়। টেমস নদীর ওপর আরো ব্রিজ তৈরি হয় কিংবা পুরনো ব্রিজ যুগোপযোগী করা হয়— ব্ল্যাকফ্রায়ার্স ব্রিজ (১৭৬৯), কিউ ব্রিজ (১৭৫০), ব্যাট্রেসা ব্রিজ (১৭৭৩) ও রিচমন্ড ব্রিজ (১৭৭৭)।
১৮০২ সালে এই ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ওয়ার্ডসওয়ার্থ অভিভূত হয়েছিলেন। ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এটির মেরামত ও সম্প্রসারণ অনিবার্য হয়ে পড়ে। এবার নকশা আঁকেন টমাস পেইজ। ২৪ মে ১৮৬২ সালে খুলে দেওয়া হয় আজকের ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজ। দৈর্ঘ্য ৮২০ ফুট আর চওড়া ৮৫ ফুট, গথিক ডিজাইনের সাতটি খিলান রয়েছে এই ব্রিজে। শুরুতে কাঠের সেতু হলেও এখন পাথর, ইট ও সিমেন্টে গড়া।
জে এম ডব্লিউ টার্নার ১৮৩৫ সালে ‘দ্য বার্নিং অব দ্য হাউজেস অব লর্ডস অ্যান্ড কমন’ এঁকেছিলেন, এতে ওয়েস্টমিনস্টার ব্রিজও চিত্রিত হয়।






