উলকা আই অ্যাকসন। অনুবাদ: অদিতি ফাল্গুনী

‘দ্য ভার্জিন স্প্রিং’ ‘ভাঞ্জ গাঁয়ের টোরের কন্যা (দ্য ডটার অব টোর অব ভাঞ্জ)’ নামে একটি মধ্যযুগীয় লোকগীতির ওপর ভিত্তি করে বানানো একটি সিনেমা। গদ্য ও পদ্যে এ লোকগানের বেশকিছু সংস্করণ আছে। আদিতে রোমান্টিক ঘরানার লোকগীতি হলেও শুধু স্ক্যান্ডিনেভিয়াতেই গানটিকে একটি ঝরনা ও গির্জার সঙ্গে অন্বিত করা হয়। কিংবদন্তি অনুসারে, কারিন নামে এক অপাপবিদ্ধা কিশোরী একবার গির্জায় যাওয়ার পথে তিনজন নৃশংস প্রকৃতির রাখালের হাতে ধর্ষিতা ও খুন হয়, তবে তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই সেই শবদেহ থেকে একটি ঝরনা উত্থিত হয়; যা কারিনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্পাপতার সাক্ষ্য দেয়। কারিনের পিতা সেই ঝরনার জলে হাত ধুয়ে এক গির্জা গড়ার শপথ নেন, যাতে কন্যার খুনি ও হত্যাকারীদের স্বহস্তে হত্যা করার পাপ থেকে তিনি মুক্ত হতে পারেন। এ লোকগীতিতে বিধৃত সহিংসতা ও প্রতিশোধের আদিকালীন নাটককে একটি ক্রিশ্চিয়ান প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়, যাতে ঈশ্বরের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করা যায় এবং ঈশ্বরের করুণা চাওয়া যায়। এটাই এ লোকগীতির গুরুত্বপূর্ণ বাণী।

আজো মধ্য সুইডেনের অস্রেরগটল্যান্ডে করুণার গির্জা চত্বরে একটি ঝরনাধারা প্রবাহিত, যাকে এ লোকগীতিকায় বর্ণিত ঝরনা বলে বিশ্বাস করা হয়। প্রতি বছর গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে আজো সুইডেনের গ্রামবাসী এ ঝরনার সামনে সমবেত হয়, যখন বন থাকে ঘন সবুজ। গ্রামবাসী এখানে ঝরনা থেকে পানি পান করে। লোকশ্রুতি আছে যে, এ ঝরনার পানি রোগ-ব্যাধি সারায় এবং এখানেই গ্রামবাসী গির্জা কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে দান-ধ্যান করে। তারা লোকগীতির তালে তালে গান গায় এবং নাচে।

বার্গম্যানের ‘দ্য ভার্জিন স্প্রিং (‘জুংগফ্রুকাল্লান)’ সিনেমাটি মূলত ১৩ শতকের একটি সুইডিশ কিংবদন্তি তথা লোকগীতি ‘টোরস ট্লোটার ই ভাঞ্জ (দ্য ডটার অব টোর অব ভাঞ্জ)’ লোকগীতির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। এখানে মূল সুইডিশ লোকগীতির ইংরেজি তর্জমা থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হলো:

 

ভাঞ্জ গাঁয়ের টোরের মেয়ে কারিন

এক সকালে ঘুম ভাঙল বড্ড দেরি করে;

রবিবারের প্রভাতী প্রার্থনা হায়

ততক্ষণে শেষ:

করুণাময় প্রভু তবু নিশ্চিত

আশিস দেবেন

এই শান্ত কিশোরীকে।

 

চিলেকোঠায় বাড়ির কর্ত্রী মানহা উঠেছেন—

অরণ্যের বাতাস হিম শীতল—

কারিন, তার সোনা মেয়েটি জাগল ঘুম থেকে—

সবুজ যেথা অরণ্য বনানী।

 

বড় দুই চোখ মেলে কারিন জেগেছে,

যাবে সে দূরের কাগা গির্জায়—

দ্রুতই তৈরি হয়ে তাকে

চাপতে হবে ঘোড়ায়।

 &dquote;&dquote;

গর্বিতা কারিন পরে তার মসৃণ পেটিকোট,

সোনালি কুণ্ডলিতে যা সেলাই করা।

গর্বিতা কারিন পরে তার মসৃণ পেটিকোট,

সোনালি কুণ্ডলিতে যা সেলাই করা।

কারিন আরো পরে তার নীল আচ্ছাদনী,

চলেছে গির্জার পথে, যা এখন আলোকিত খুব।

মস্ত এক গাছের কাছ ঘেঁষে

কারিন ছুটছে যখন ঘোড়ার পিঠে চেপে,

তিন রাখাল যুবা এল তার পাশে।

বলল তারা, ‘এসো— আমাদের বধূ হও আজ—

নয়তো কেড়ে নেব তোমার তরুণ, তাজা প্রাণ।’

‘আমার দিকে বাড়াস নে দুষ্ট হাত তোদের,

যদি বাঁচতে চাস (আমার) বাবার হাত থেকে।’

‘বয়েই গেল মেয়ে— গনি বুঝি তোমার জ্ঞাতি-গুষ্টিকে?

তাদেরও খুন করব বেশ যেমন করব তোমায়।’

এই না বলে তিন রাখাল ঝাঁপিয়ে পড়ে

কোমল সেই কুমারীর দেহে—

হত্যা করে বিক্ষত সেই দেহ।

অতঃপর তিন রাখাল টেনে চলল

মেয়েটির মৃতদেহ তার সোনালি চুল ধরে—

হিঁচড়ে নিয়ে চলল এক বার্চ গাছের নিচে।

সেখানেই ফেলে দিল মৃতা সেই মেয়েকে—

সোনালি চুলো মেয়েটিকে রেখে দিল বার্চ গাছের গোড়ায়।

আর তক্ষুনি সেই মৃতা কিশোরীর দেহে

সৃষ্টি হলো এক পবিত্র ঝরনার।

রাখালেরা খুলে নিল মৃতার সোনালি সেই জামা।

গুটাল সেই জামা তাদের পুঁটলিতে।

কাদায় গাঁথল তারা সে মেয়ের সোনালি দেহখানি।

গায়ের বসন খুলে নিয়ে ছুটল তিন লোভী রাখাল

বায়ুর গতিতে।&dquote;&dquote;

মন্দ এ কাজের পরই

তিন রাখাল চলল সেই পথে

যে পথে কারিন এসেছিল গির্জা যাবার খোঁজে।

মর্মরিত বনানীর পথ ধরে

পৌঁছে গেল ভাঞ্জ গ্রামে ঠিকঠাক।

মন্দ এ কাজের পরই

তিন রাখাল চলল সেই পথে

যে পথে কারিন এসেছিল গির্জা যাবার খোঁজে।

মর্মরিত বনানীর পথ ধরে

পৌঁছে গেল ভাঞ্জ গ্রামে ঠিকঠাক।

গেল তারা টোরের খামারবাড়ি,

খুঁজে পেল সে কৃষক পিতাকে

খামারবাড়ির দ্বারে।

টোর ত’ দাঁড়িয়েই ছিল খামারবাড়ির দ্বারে।

ঢুকতে সে দিল তিন রাখাল যুবাকে।

ঢুকল তিন যুবা খোদ টোরের ঘরখানায়।

সেখানে তারা চটজলদি খেয়ে নিল

মাংস এবং রুটি।

বিষম এক চিন্তা তখনি

এল টোরের মাথায়: ‘সন্ধ্যা হলো—

মেয়েটি আমার এখনো তবু

ফিরছে না কেন?’

রাত ঘনালে গৃহকর্ত্রী মার্থা যখন ঘুমোতে যাবেন

স্বামী টোরের শয্যায়,

তিন রাখাল যুবা মায়ের কাছে এসে বলে,

‘এই রেশমি পোশাকটি রাখবেন কি

আতিথেয়তার প্রতিদানে—

যার ওপর নয় কুমারীর সেলাইয়ের ফোঁড় আছে?’

ভীত মার্থা তাকিয়ে দেখে মেয়ের জামাখানা।

বিষাদে কেঁপে ওঠেন মার্থা গভীর অবসাদে।

কান্না চেপে মার্থা তবু গেলেন স্বামীর কাছে,

ঘুমন্ত টোরকে জাগিয়ে তুললেন,

‘জাগো— আমার প্রিয়তম পতি—

ওই তিন খুনে যুবা খুন করেছে

তোমার আদরের মেয়েকে।

বিবসনা করেছে তাকে—

চিনেছি আমি রেশমি জামাখানা—

গভীর এক ব্যথার তীর আমূল যেন

আটকে গেছে অবশ কলিজায়।’

পুত্রী হত্যার প্রতিশোধে পিতা টোর

খাপখোলা ছুরি হাতে ছুটে গেলেন

তিন ভাইয়ের কাছে।

প্রথম ও দ্বিতীয় যুবাকে হত্যা করে টোর

ঝাঁপিয়ে পড়লেন কনিষ্ঠের ওপর।

হত্যা শেষে ক্লান্ত টোর

ছুড়ে ফেললেন হাতের ছোরাখানি,

‘হে যিশু— ক্ষমা করো নরহত্যার পাপ।

কীভাবে শুধি নরহত্যার পাপ?

পিতা— আমি বানাব এক পাথরের গির্জা।’

আনন্দিত চিত্তে আমরা বানাব এক ঈশ্বরের ঘর।

বনের পথে শীতল বাতাসে—&dquote;&dquote;

করুণার কাছে

গড়ব সেই গির্জা আমি,

যেখানে চির সবুজ, মুকুলিত বনের পত্রালি।’

 

এ লোকগীতি পুরোটাই চড়া মাপের নাটকীয়তা এবং বাহ্যিক প্রকাশমানতায় ভরপুর— এক দৈবী বা অলৌকিক নাটিকা সংঘটনের দারুণ ভিত্তি। বিচিত্রধর্মী নানা অ্যাকশন সুতীক্ষভাবে এ-ওর পাল্টা খাড়া হয় এবং অসংখ্য ছোট অংকে বিভক্ত হয়। নাটিকার এই যত অংক শুধু গানটির সুর নির্ধারিত করে না এবং একটি নির্দিষ্ট গল্প বলে না, বরং তারা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা অভিমুখও প্রকাশ করে। ধর্ষণ ও হত্যার মধ্যযুগীয় বাস্তবতাকে শুদ্ধীকরণ ও প্রায়শ্চিত্তের উদ্দেশ্য দ্বারা দারুণভাবে পরিশুদ্ধ করা হয়। মধ্যযুগের অনামা সেই গীতিনাট্যকার সত্য ও বাস্তবতার বয়ানে একেবারেই কোনো হতবিহ্বল অবস্থায় পড়েননি। এটা সুস্পষ্ট যে, এ লোকগীতির স্ক্যান্ডিনেভীয় সংস্করণের একটি গভীর ও আন্তরিক অর্থ রয়েছে।

ইঙ্গমার বার্গম্যান এ লোককাহিনীর ওপর ভিত্তি করে সিনেমা নির্মাণ করতে গিয়ে যতটা সম্ভব মূল লোকগীতির গল্পটির প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন। চিত্রকল্পের দিক থেকে দেখলে গল্পটি একই সঙ্গে নিষ্ঠুর ও সুন্দর এবং মানবীয় আচরণের প্রতি এক নিরাপস দৃষ্টিভঙ্গি আবার পাশাপাশি গভীর এক খ্রিস্টীয় বাণীর উপস্থিতিও গল্পটিতে লক্ষণীয়। যাহোক, মূল লোকগীতিটি অবশ্য মুদ্রণে মাত্র দুই পৃষ্ঠা আয়তনবাহী, যেখানে পাত্র-পাত্রীদের চরিত্রায়ণ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপড়েন বিশদভাবে বলা হয়নি বা বলতে গেলে তেমন একটা খুঁজেই পাওয়া যায় না। কাজেই কিশোরী কারিন এবং তার মাতা-পিতাসহ এ গল্পের যাবতীয় চরিত্রকে সেই যুগের প্রেক্ষাপটে জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য করে ফুটিয়ে তুলতে বার্গম্যানকে সিনেমার ভাষায় খুবই স্বতন্ত্রভাবে গল্পটি বলতে হয়েছে। তবু অত আগের যুগের হুবহু জীবন্ত ও বাস্তব প্রেক্ষাপট রচনা করা যথেষ্ট কঠিন কাজ, আরো কঠিন হলো আজকের দর্শককে গোটা ঘটনাটি সংবেদনশীলতার সঙ্গে বুঝতে সাহায্য করা। সিনেমার মাধ্যমে লোকগীতির মর্মবাণী পৌঁছে দেয়ার কাজটি খুব সহজ নয়। কাজেই চলচ্চিত্রে কিছু বাড়তি বিষয় সংযোজন করতেই হয়েছে।

গোটা চলচ্চিত্রে আদ্যন্ত একটি টেনশন বা টানটান উত্তেজনা লক্ষ করা যায়, যা লোকগীতিতে সেভাবে মূর্ত হয়নি: ত্রয়োদশ শতকের সুইডেনে খ্রিস্ট ধর্ম (নতুন ধর্মবিশ্বাস) ও বিলীয়মান পৌত্তলিক ধর্মের ভেতরকার দ্বন্দ্ব বা চাপা উত্তেজনা। লোকগীতিটি যখন প্রথম গীত হতো, সেই ত্রয়োদশ শতকে সুইডেন সদ্যই খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে। পোশাকিভাবে খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত হলেও তখনো অনেকেই লুকিয়ে পুরনো ধর্মের দেবতাদের পূজা করে এবং তালাবদ্ধ দরজার ভেতরে গোপনে বা গ্রামের এখানে সেখানে তখনো সেই পুরনো দেবতাদের উদ্দেশে নানা বলি বা উপাচার-তর্পণ প্রদত্ত হয়ে থাকে। কাজেই এটা বোঝা কঠিন নয় যে, কেন সিনেমাটিতে টোরের পরিবারের পালিত কন্যাটি পুরনো ভাইকিং দেবতা ওদিনের উপাসনা করে। এ উপাসনা সে করে মূলত তার ভাগ্যবতী ও সুখী বোন (পালক মাতা-পিতার জৈবিক সন্তান) কারিনের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ থেকে। কারিনের গির্জায় যাওয়ার সময় বোনের (কারিনের) থলেতে লুকিয়ে ইঙ্গেরি (পালিতা বোন) যে ব্যাঙটি রাখে, তা শুধুই তার মন্দ আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নয়; বরং পুরনো ভাইকিং প্রথা অনুযায়ী ব্যাঙ হলো মৃত্যু ও শয়তানেরও প্রতীক। কারখানার কাছে বুড়ো লোকটি সুইডেনের হাতেগোনা শেষ কিছু পৌত্তলিকের একজন, যে দেবতা ওদিনের কাছে নিয়মিত বলি দেয় এবং টোরের পালিতা কন্যা ইঙ্গেরিকে সে যেসব কুঞ্চিত বস্তু দেখায়, সেগুলো তার শেষ বলির কিছু দ্রব্যাদি। বুড়ো ইঙ্গেরিকে তার ছোট বোন কারিনের ক্ষতি করার কাজে সাহায্য করতে চাইলেও ইঙ্গেরি অবশ্য ভয়ে পালায়। বুড়োর সঙ্গে এই দেখা হওয়ার পরেই অবশ্য ইঙ্গেরি দেখে যে কারিনের কোনো ক্ষতি হওয়ার জন্য তার ভেতরের এতদিনের বাসনা পুরিত হয়েছে।

খ্রিস্ট ধর্ম ও পৌত্তলিক বিশ্বাসের ভেতরকার দ্বন্দ্ব বার্গম্যান আরো সূক্ষ্ম কিছু ডিটেইলের কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। যেমন— ওদিন উপাসক বৃদ্ধ যে চেয়ারে বসছেন, সেই চেয়ারটি সুইডিশ লোকদেবতা ও নানা গুপ্ত চিহ্ন দিয়ে সাজানো। আবার কারিনের বাবা টোরের বসার চেয়ারটিতে দুজন খ্রিস্টীয় সন্তের পোর্ট্রেট আঁকা। কারিনের ধর্ষণ ও হত্যার পর পিতা টোর যে প্রতিশোধ গ্রহণ করেন, সেটা বর্বর প্রকৃতির হলেও স্ত্রী মার্থা সর্বান্তঃকরণে এ প্রতিশোধ গ্রহণের কাজকে সমর্থন করেন। কারিনকে হত্যা ও ধর্ষণকারী তিন রাখাল যুবককে হত্যার আগে প্রস্তুতি হিসেবে পিতা টোরের বাষ্পস্নানের দৃশ্যে বার্গম্যান সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন এই বিশেষ অবলোকন যে, সুইডেনের আদি পৌত্তলিক ধর্ম ও খ্রিস্ট ধর্ম— উভয় ধর্মেই দেবতার উদ্দেশে বলি (পৌত্তলিক বিশ্বাস) বা দান-ধ্যানের (খ্রিস্ট ধর্ম) আগে বাষ্পস্নানের আচার প্রচলিত ছিল। 

একটি লোকগীতিকে চলচ্চিত্রের ভাষায় অনূদিত করা এবং ব্যাখ্যা করা বিষয়ে প্রচুর বাদানুবাদ বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উত্থাপিত হতে পারে। তবু লোকগীতিকে সিনেমার ভাষায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার এ স্পর্শকাতর ও উদ্দীপক কাজটির দায় যারা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন, তারা সেই লোকগীতিতে বর্ণিত বাস্তবতা দ্বারা করায়ত্ত হয়েছিলেন এবং তাদের কাজের একটি জোরালো প্রণোদনা ছিল এ বিশ্বাস যে, লোকগীতিটি অতীতের মানুষের জন্য যতটা উদ্দীপক ছিল, যতটা উদ্দীপক ছিল সেই মধ্যযুগে, আজো তা তেমনি আছে।

 

(উলকা আই অ্যাকসন প্রখ্যাত সুইডিশ লেখিকা ও ‘দ্য ভার্জিন স্প্রিং’-এর দৃশ্যবিবরণী লেখক)