বাংলায় কররানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তাজ কররানি। তার মৃত্যুর পর সোলায়মান কররানি বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন তাজ কররানির ভাই। তিনি গৌড় থেকে তান্ডায় রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন। বিহার ও ওড়িশায়ও সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন সোলায়মান কররানি। তার রাজত্বকাল ছিল আট বছর। তিনি মোগল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে কখনো বিদ্রোহ করেননি। নিজের নামে মুদ্রা প্রকাশ করেননি। এ প্রকারে তিনি মোগলদের খুশি রেখেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে দাউদ কররানি শাসনভার গ্রহণ করে মোগলদের চাকে ঢিল মেরেছিলেন। তিনি রাজকীয় উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করলেন। নিজের নামে মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন। পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রভূত ধনসম্পদ পেয়েছিলেন দাউদ খান কররানি। আর পেয়েছিলেন একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী। ফলে তার আকাঙ্ক্ষা বেড়ে গিয়েছিল। তিনি সম্রাট আকবরের প্রতি আনুগত্য অস্বীকার করে নিজেকে স্বাধীন শাসক হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। কররানি শাসকদের মধ্যে তিনিই একমাত্র এমন কীর্তি স্থাপন করেন।৷ফলে মোগলদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন দাউদ কররানি। তিনি বদমেজাজি ছিলেন। নিজের সিংহাসনের জন্য হুমকি হতে পারে এমন সব আত্মীয়কে তিনি হত্যা করেছিলেন। খামখেয়ালিপনার বশবর্তী হয়ে তিনি বহু বর্ষীয়ান আফগান অভিজাতকেও অপমান করেছিলেন। এসব কারণে আফগানদের মধ্যেও তার অনেক শত্রু তৈরি হয়েছিল। সোলায়মান কররানির বিশ্বস্ত উজির ছিলেন লোদি খান। তিনি দাউদ কররানিরও অনুগত ছিলেন। কিন্তু দাউদ লোদি খানের জামাতাকে হত্যা করে তার বিরাগভাজন হয়েছিলেন। আর এসব হঠকারী কাজে দাউদ কররানিকে মদদ জোগাতেন তার দুই স্বার্থপর আমির কতলু লোহানি ও গুজার কররানি। ঐতিহাসিক নিয়ামতউল্লাহর মতে, দাউদ কররানি ও লোদি খানের সম্পর্কের এ ফাটলের কারণে বাংলায় কররানি শাসনের ভিত দুর্বল হয়ে পড়ে। সুগম হয় মোগল শাসন প্রতিষ্ঠার পথ।
দাউদ কররানির বিরুদ্ধে বিহারের আফগানরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিল। তারা দাউদের ভাই বায়েজিদ কররানির ছেলেকে বিহারের শাসক বানিয়েছিল। তাদের শায়েস্তা করার জন্য লোদি খানের নেতৃত্বে বিহারে একটি সেনাবাহিনী পাঠান দাউদ কররানি। একই সময় মোগল সেনাপতি মুনিম খানও জৈনপুর ও বিহার সীমান্তে অবস্থান করছিলেন। তিনি বিহারকে মোগল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালাচ্ছিলেন। লোদি খান দাউদ কররানির কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত ছিলেন। তাই তিনি বিহারের আফগানদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মুনিম খানের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন। এ সংবাদ শুনে দাউদ দ্রুত বাংলা থেকে বিহারের দিকে অগ্রসর হন। ত্রিমোহনী নামক স্থানে প্রথম মোগলদের মুখোমুখি হয়েছিল দাউদের সেনাবাহিনী। মোগল বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন মুনিম খান। তার সহযোগিতায় ছিলেন রাজা টোডরমল। এমনকি স্বয়ং সম্রাট আকবরও এক বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে ১৫৭৪ সালের ৩ আগস্ট পাটনায় উপস্থিত হন। ৬ আগস্ট মোগলদের হাতে আফগানদের হাজীপুর দুর্গের পতন ঘটে। দাউদ কররানি পিছু হটে বাংলায় ফিরে আসেন। এভাবে পাটনা মোগল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। সেখান থেকে মোগলরা গনিমত হিসেবে প্রচুর অর্থ-সম্পদ ও হাতি লাভ করেছিল। ১৫৭৪ সালের ১৩ আগস্ট সম্রাট আকবর সেনাপতি মুনিম খানের নেতৃত্বে ২০ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী বাংলা অভিমুখে পাঠান। এ অভিযাত্রায় মোগল বাহিনী মুঙ্গের, ভাগলপুর ও কোলগাঁও অধিকার করে। আফগানরা কোথাও মোগলদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। পশ্চিম তেলিয়াগড়ের এক প্রবেশপথে মোগলদের প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত নেন দাউদ কররানি। তাই তিনি তেলিয়াগড়ের দুর্গকে শক্তিশালী করেন। বিশাল সৈন্যবহর নিয়ে তিনি মোগলদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান।৷স্থানীয় জমিদাররা তখন মোগল বাহিনীর সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তাদের সহায়তায় আরেকটি পথে আফগান বাহিনীর সামনে এসে দাউদ কররানিকে চমকে দেয় মোগলরা। তাদের অতর্কিত আক্রমণে কররানি বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। দাউদ কররানি পালিয়ে বাংলায় চলে আসেন। ২৫ সেপ্টেম্বর মুনিম খান বাংলার তৎকালীন রাজধানী তান্ডায় প্রবেশ করেন। রাজধানী দখল করলেও সমগ্র বাংলা মুলুকে মোগল কর্তৃত্ব কায়েম করতে বহু বছর সময় লেগেছিল। দাউদ কররানি পালিয়ে ওড়িশা চলে যান। তার অনুপস্থিতিতে আফগান সেনাপতি ও সৈনিকরা বাংলার যেখানে সেখানে বিদ্রোহ করতে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজা টোডরমলের পরামর্শে তান্ডায় ঘাঁটি স্থাপন করেন মুনিম খান। তিনি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়াদিতে মনোযোগী হন। রাজধানীতে ক্ষমতা সুসংহত করার পর মুনিম খান সাতগাঁও, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর), বাকলা (বাকেরগঞ্জ), সোনারগাঁও (ঢাকা) ও মুহাম্মদাবাদের (যশোর-ফরিদপুর) আফগান প্রশাসকদের পরাজিত করার জন্য সেনাবাহিনী পাঠান। আফগানরা কোথাও মোগলদের বিরুদ্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি।
বাংলা হারালেও ওড়িশায় তখনো অপরাজিত ছিলেন দাউদ কররানি। মোগল বাহিনী তাই ওড়িশার দিকে অগ্রসর হয়। এর নেতৃত্বে ছিলেন মুনিম খান ও রাজা টোডরমল। গড় হরিপুর নামক স্থানে সসৈন্য অবস্থান গ্রহণ করেন দাউদ কররানি। তিনি মোগলদের সম্ভাব্য সব যাত্রাপথে শক্ত প্রতিবন্ধক স্থাপন করেন। এমতাবস্থায় মুনিম খান একটি পরামর্শ সভার আয়োজন করেন। অনেকে যুদ্ধের বিপক্ষে রায় দেন। কিন্তু মুনিম খান ও রাজা টোডরমলের দৃঢ়তায় যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এবারো মোগলদের সাহায্য করে স্থানীয়রা। তাদের সহায়তায় মোগলরা বিকল্প পথ খুঁজে নেয়। তুকারয় নামক স্থানে মোগল বাহিনীর মুখোমুখি হয় কররানি বাহিনী। ১৫৭৫ সালের মার্চে সংঘটিত এ যুদ্ধ ইতিহাসে ‘তুকারয়ের যুদ্ধ’ নামে খ্যাত। মোগলদের তুলনায় দাউদের অস্ত্র ও সৈন্যবল ছিল অপ্রতুল। তাই মোগলরা খুব সহজেই আফগান দুর্গ দখল করে নেয়। বাধ্য হয়ে সন্ধির প্রস্তাব দেন দাউদ কররানি। তার সেনাপতিদের মাধ্যমে মোগলদের জন্য প্রচুর উপঢৌকনও পাঠান। দাউদ কররানির ওপর রাজা টোডরমলের কোনো বিশ্বাস ছিল না। তাই তিনি তৎক্ষণাৎ সন্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। কিন্তু তার আপত্তি টিকল না। মুনিম খান দাউদ কররানির সন্ধির প্রস্তাব মেনে নিলেন। সন্ধির শর্ত অনুসারে দাউদকে মোগল সম্রাটের বশ্যতা স্বীকার করতে বলা হলো। উপঢৌকন হিসেবে প্রচুর হাতি ও অন্যান্য মূল্যবান বস্তু সম্রাটের দরবারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হলো। আরেকটি শর্ত ছিল যে সম্রাটের দরবারে দাউদ কররানির একজন প্রতিনিধি থাকতে হবে। দাউদ এসব শর্ত মেনে নিতে অস্বীকার করেন। ফলে আবার যুদ্ধ শুরু হয়। এর মধ্যে দাউদ তার শক্তি বাড়াতে পেরেছিলেন। উভয় পক্ষে সৈন্য সংখ্যা প্রায় সমান ছিল। কররানি বাহিনীতে ছিল ২০০ হাতি। মুনিম খান কামান দিয়ে হস্তিবাহিনীকে প্রতিহত করতে সমর্থ হলেও আফগান অশ্বারোহীরা প্রবল পরাক্রমে মোগল বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করে এগিয়ে যায়। মুনিম খানসহ অনেক মোগল সেনাপতি গুরুতর আহত হন। ক্যাম্প ছেড়ে পাঁচ মাইল পিছু হটতে বাধ্য হন মুনিম খান। আফগানরা তাকে ধাওয়া করার পরিবর্তে পরিত্যক্ত ক্যাম্প লুণ্ঠনে প্রবৃত্ত হয়। এটিই তাদের সর্বনাশ ডেকে আনে। মোগল বাহিনী সুযোগ পেয়ে নিজেদের দ্রুত গুছিয়ে নেয়। প্রবল প্রতাপে তারা পুনরায় কররানি বাহিনীর ওপর আঘাত হানে। এ আক্রমণে আফগানদের ঝানু সেনাপতি গুজার কররানি নিহত হন। তার মৃত্যুতে মোগলরা আরো উজ্জীবিত হয়। অল্প সময়ের মধ্যে চারপাশ থেকে দাউদ কররানির বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলে মোগলরা। মনোবল হারান দাউদ কররানি। তার নিষ্ক্রিয়তায় আফগান বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সৈন্যরা ইতস্তত ও বিক্ষিপ্তভাবে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যায়। দাউদ কররানি কটকের দুর্গে আশ্রয় নেন। মোগলরা আফগান ক্যাম্প লুট করে। তুকারয়ের যুদ্ধে জয়ী হলেও এর জন্য মোগলদের চড়া দাম দিতে হয়েছিল।
মোগল বাহিনী দাউদ কররানিকে ধাওয়া করে কটক পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সংকট বিবেচনায় দাউদ কররানি পুনরায় সন্ধির প্রস্তাব দেন। মুনিম খানের দেয়া সব শর্ত মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ১৫৭৫ সালের ১২ এপ্রিল কটক দুর্গ জয় করে মোগলরা। একটি সুদৃশ্য মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছিল। সেনাপতি ও পারিষদবর্গ সমভিব্যহারে মোগল ক্যাম্পে উপস্থিত হন দাউদ কররানি। মুনিম খান ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। আবুল ফজলের ভাষ্যানুসারে, আনুগত্যের রূপক হিসেবে তলোয়ার কোষমুক্ত করে পেছনে রাখেন দাউদ। প্রচুর হাতি ও অর্থসম্পদ উপঢৌকন দেন। বায়েজিদ কররানির ছেলে শেখ মুহাম্মদকে তার প্রতিনিধি হিসেবে মোগল সম্রাটের দরবারে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। মুনিম খান দাউদ কররানিকে বহু মূল্য খিলাতে ভূষিত করেন। একটি তলোয়ার ও কারুকার্যখচিত বন্ধনি তার কোমরে বেঁধে দেয়া হয়। ওড়িশার কিছু এলাকাও তাকে জায়গির হিসেবে দেয়া হয়েছিল।
দাউদ কররানি কিছুকাল শান্ত ছিলেন। তবে তিনি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। এর মধ্যে মুনিম খান মারা যান। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোয় মোগল সেনাপতি ও সৈনিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। নেতৃত্ববিহীন অবস্থায় তারা গৌড় ত্যাগ করে ভাগলপুর হয়ে দিল্লির পথ ধরে। মোগলদের এমন বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ নিয়ে দাউদ কররানি তার সন্ধির শপথ ভঙ্গ করে ওড়িশায় বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বদ্রাক ও জলেশ্বর দখল করেন। বাংলায় পুনরায় কররানি শাসন কায়েম করেন। এ খবর সম্রাট আকবরের কানে পৌঁছলে তিনি রাজা টোডরমল ও হোসেন কুলী বেগকে এক বিশাল সেনাবাহিনী সহযোগে বাংলা অভিমুখে পাঠান। এত দ্রুত মোগল বাহিনীর আক্রমণ দাউদ কররানির প্রত্যাশিত ছিল না। তিনি রাজমহলে সৈন্য মোতায়েন করেন। সেখানে তিনি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। রাজমহলের নিকট হোসেন কুলী বেগ কয়েক মাস অপেক্ষা করেন। কিন্তু নানা প্রতিকূলতার কারণে আক্রমণ করতে পারছিলেন না। এ অচলাবস্থার অবসান ঘটান মুজাফফর খান। তিনি ছিলেন বিহারে দায়িত্বরত মোগল সেনাপতি। সম্রাট আকবরের আদেশে তিনি নিজ বাহিনী নিয়ে হোসেন কুলী বেগের সঙ্গে যোগ দেন। একই সময় দিল্লির দরবার থেকে নৌকা বোঝাই হয়ে মোগল সৈন্যদের জন্য পুরস্কারস্বরূপ অর্থসম্পদ পাঠানো হয়। ফলে তারা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে।
১৫৭৬ সালের ১০ জুলাই বিহার ও বাংলার মোগল সৈন্যরা একত্র হয়। মোগল বাহিনীর কেন্দ্রীয় অংশের দায়িত্বে ছিলেন হোসেন কুলী বেগ। ডান অংশের নেতৃত্বে ছিলেন মুজাফফর খান। আর বাম দিক ছিল রাজা টোডরমলের অধীনে। ভ্যানগার্ডের দায়িত্বে ছিলেন সাহাম খান, মুরাদ খান প্রমুখ সেনাপতি। অন্যদিকে কররানি বাহিনীর কেন্দ্রীয় অংশের দায়িত্বে ছিলেন দাউদ কররানি। ডান ও বাম অংশের দায়িত্বে ছিলেন যথাক্রমে কালাপাহাড় ও জুনায়েদ কররানি। খান জাহান ও কতলু খান ছিলেন ভ্যানগার্ডের দায়িত্বে। ১২ জুলাই চূড়ান্ত যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। আফগানরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। কালাপাহাড় ও কতলু খান মারাত্মক আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। জুনায়েদ কররানি নিহত হন, খান জাহানও মারা যান। দাউদ কররানি বন্দি হন।
হোসেন কুলী বেগের সামনে বন্দি দাউদ কররানিকে আনা হলো। খান জাহান তাকে সন্ধির শপথ ভঙ্গ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। দাউদ উত্তর দিলেন যে সে সন্ধি মুনিম খানের সঙ্গে ছিল। তিনি খান জাহানকে নতুনভাবে বন্ধুত্ব ও সমঝোতা করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু খান জাহান সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে তিনি দাউদ কররানিকে হত্যা করার পক্ষপাতী ছিলেন না। কিন্তু কয়েকজন মোগল সেনাপতির প্ররোচনায় তিনি দাউদ কররানিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
দাউদ কররানি ছিলেন বাংলা, বিহার ও ওড়িশার সর্বশেষ স্বাধীন আফগান শাসক। তার পতন ও মৃত্যুর পর এতদঞ্চলের আফগান শাসনের সূর্য অস্তমিত হয়।
নিজাম আশ শামস: লেখক ও অনুবাদক





