বাংলাদেশের টি২০ এশিয়া কাপের মিশন শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। নতুন করে এ সংস্করণে আবারো বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু এ ম্যাচে খেলতে নামলেই বাংলাদেশের অধিনায়ক করবেন অন্যরকম এক সেঞ্চুরি। সাকিব টি২০তে এখন পর্যন্ত ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন, আজ আফগানদের বিপক্ষে এটি হবে তার শততম ম্যাচ। বিশ্বের ১৫তম ও বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এ গৌরব অর্জন করবেন তিনি।
চলতি এশিয়া কাপে গত ম্যাচেই পাকিস্তানের বিপক্ষে শততম টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ভারতের বিরাট কোহলি। এবার একই মাইলফলকের সামনে সাকিব। ২০০৬ সালের নভেম্বরে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি২০ অভিষেক হয় এই অলরাউন্ডারের।
টি২০ সংস্করণে ৯৯ ম্যাচে ১০ হাফসেঞ্চুরিতে সাকিবের সংগ্রহ ২ হাজার ১০ রান। ১২০ দশমিক ৮৬ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং গড় ২৩ দশমিক ১০। বল হাতে আন্তর্জাতিক টি২০তে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার তার। নিয়েছেন ১২১টি উইকেট।
এছাড়া ৬৩টি টেস্টে ৩৯ গড়ে ৪ হাজার ২৫১ রান সাকিবের। ওয়ানডেতে ২২১ ম্যাচে করেছেন ৬ হাজার ৭৫৫ রান।
এর আগে বাংলাদেশের হয়ে মাহমুদউল্লাহ (১১৯) ও মুশফিকুর রহিম (১০০) টি২০ ক্রিকেটে একশ ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জন করেছেন। এবার তাদের ক্লাবে নাম লেখাচ্ছেন সাকিব।
এর আগে মাহমুদউল্লাহ (১১৯ ম্যাচ) ও মুশফিকুর রহিম (১০০)
বাংলাদেশের হয়ে একশ টি২০ ম্যাচ খেলার গৌরবের অধিকারী হয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ ২৩.৫২
গড়ে ২ হাজার ৭০ রান করেছেন, উইকেট নিয়েছেন ৩৮টি। আর মুশফিক ১৯.৯৩ গড়ে করেছেন
১ হাজার ৪৯৫ রান।
টি২০ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ১৩৩ ম্যাচ খেলেছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা, যিনি সর্বোচ্চ
রানেরও মালিক। ৩২.১০ গড়ে ৩ হাজার ৪৯৯ রান করেছেন রোহিত। এছাড়া শোয়েব মালিক ১২৪
ম্যাচ ও মার্টিন গাপটিল ১২১ ম্যাচ খেলেছেন। এরপরেই মাহমুদউল্লাহ।
বিস্ময়কর হলেও সত্য, তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ
খেলেছেন সাকিব!
টেস্টে তৃতীয়
সর্বোচ্চ টেস্ট
(৬৩টি) এবং ওয়ানডেতে
তৃতীয় সর্বোচ্চ
(২২১টি) খেলেছেন সাকিব।
টেস্টে সর্বোচ্চ ৮২ ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৯ ম্যাচ খেলেছেন
তামিম ইকবাল। ওয়ানডেতেও সাকিবের উপরে ওই দুজন। মুশফিক খেলেছেন ২৩৬ ম্যাচ, আর তামিম ২৩১
ম্যাচ।









