আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ রাত ৮টায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মুখোমুখি হবে গুজরাট টাইটানস। আজ জিতলে কিংবা এক পয়েন্ট পেলেই প্রথম দল হিসেবে এ মৌসুমে প্লে-অফে উঠে যাবে হার্দিক পান্ডিয়ার টাইটান্স।

 

এদিকে, রোববার কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে সবার আগে প্লে-অফে ওঠার সুযোগ ছিল চারবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসের। যদিও ঘরের মাঠে তারা ৬ উইকেটে হেরে বসেছে। তারপরও প্লে-অফে ওঠার এখনো ভালো সুযোগ আছে এমএস ধোনির দলের। যদিও শীর্ষ দুটি স্থানে থাকা তাদের অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

 

এ মুহূর্তে ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান করছে গুজরাট। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে চেন্নাই। রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ভালো সুযোগ আছে চেন্নাইকে টপকে যাওয়ার। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে অবস্থান করছে। পরের দুই ম্যাচ জিতলে তাদের ১৮ পয়েন্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

এরপরেই লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্ট (১২ ম্যাচে ১৩), রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (১২ ম্যাচে ১২), রাজস্থান রয়্যালস (১৩ ম্যাচে ১২), কলকাতা (১৩ ম্যাচে ১২), পাঞ্জাব কিংস (১২ ম্যাচে ১২), সানরাইজার্স (১১ ম্যাচে ৮) ও দিল্লি ক্যাপিটালস (১২ ম্যাচে ৮)। এর মধ্যে সানরাইজার্স ও দিল্লি ছাড়া বাকি সবারই আশা এখনো বেঁচে আছে। গুজরাট, চেন্নাই ও মুম্বাইয়ের প্লে-অফ মোটামুটি নিশ্চিত। বাকিদের মধ্যে কোন দল তাদের সঙ্গে যোগ দেবে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

 

চিপকে রোববার রাতের ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৪৪ রান তোলে চেন্নাই। শিভাম দুবে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন। জবাব দিকে নেমে অধিনায়ক নিতিশ রানা (৫৭*) ও রিংকু সিংয়ের (৫৪) ব্যাটে ভর করে ছয় উইকেটের জয় পায় কলকাতা। এই জয়টা নাইটদের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।

 

শনিবার দিল্লির বিপক্ষে জিতলেই সরাসরি প্লে-অফে উঠে যাবে চেন্নাই। আর হারলে অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে চোখ রাখতে হবে তাদের।

 

২৩ মে শুরু প্লে-অফের লড়াই। ২৮ মে আহমেদাবাদে ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ১৬তম আইপিএলের।