দু’দুটি পেনাল্টি থেকে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে মার্শেইয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় এনে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে দানি কার্ভাহাল লাল কার্ড দেখলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করল মাদ্রিদ।

ম্যাচ শুরু করেননি রিয়াল অধিনায়ক কার্ভাহাল। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়লে পাঁচ মিনিটের মাথায় তাকে মাঠে নামানো হয়। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। গোলরক্ষকদের দারুণ পারফরম্যান্স, ভুলের কারণে গোল হজম এবং ম্যাচের শেষ মুহূর্তের বিতর্ক ছড়িয়েছে উত্তেজনা।

মাদ্রিদ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল। এমবাপ্পে বাইসাইকেল কিকে গোল করার চেষ্টা করেও পারেননি। তবে ২২তম মিনিটে মার্শেই-ই প্রথম গোল করে। আর্দা গুলারের মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়েছিলেন টিমোথি উইয়াহ। তুরস্কের এই মিডফিল্ডারের কাছ থেকে মাঝমাঠে বল কেড়ে নেন মেসন গ্রিনউড, পাস দেন উইয়াহকে। দ্রুত রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্সকে পেছনে ফেলে থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন উইয়াহ।

প্রথমার্ধে মার্শেই গোলরক্ষক জেরোনিমো রুল্লি ছিলেন অসাধারণ। মাদ্রিদের ১০টি শট ঠেকিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে এমবাপ্পের একটি শট ঠেকানো ছিল চোখ ধাঁধানো।

মার্শেইয়ের লিড বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। ছয় মিনিট পরেই জিওফ্রে কন্ডোগবিয়া পেনাল্টি বক্সের মধ্যে রদ্রিগোকে ফাউল করলে এমবাপ্পে পেনাল্টি থেকে গোল করে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদকে সমতায় ফেরান।

ম্যাচটি নাটকীয় মোড় নেয় ৭২তম মিনিটে। কার্ভাহাল রুল্লির মাথায় আঘাত করায় রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।

বদলি হিসেবে নামা ভিনিসিয়াস জুনিয়র দারুণ গতিতে বল নিয়ে এগোতে থাকেন। সেই বল ফ্যাকুন্ডো মেদিনার পায়ে লেগে স্পর্শ করে তার হাত। আবারও রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক ম্যাচের শেষে গড়ালেও ৩ পয়েন্ট গেছে মাদ্রিদের পকেটে।