টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ রোববার নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিতে চলেছিল নেপাল। যদিও শেষ পর্যন্ত অঘটনের জন্ম দিতে পারেনি হিমালয়কন্যারা, তারা হেরে গেছে ৪ রানে। ১৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করা নেপাল ৬ উইকেটে ১৮০ রান তুলতে সমর্থ হয়েছে।

শেষ ৩ ওভারে ৪৬ রানের প্রয়োজন পড়ে নেপালের। জোফরা আর্চারের করা ১৮তম ওভার থেকে ২৪ রান তুলে নেন নেপালের লোকেশ বাম। পরের ওভার থেকে আসে ১৪ রান। ফলে শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ১০ রান। অবশ্য শেষ ওভারের প্রবল চাপ সামলে জিততে পারেনি নেপালিরা। কৃতী পেস বোলার স্যাম কারান ৫ রানের বেশি দেননি। জয় থেকে ৪ রান দূরে থেমে যায় নেপালি মিশন। ২০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন লোকেশ বাম।

দিপেন্দ্র সিং আইরে ২৯ বলে ৪৪, রোহিত পৌডেল ৩৪ বলে ৩৯ রান করেন।

sher malla

শের মাল্লা। ছবি: এপি

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১ রানে হেরেছিল নেপাল। এবার তারা ইংল্যান্ডের কাছে হারল ৪ রানে।

এর আগে ব্যাটিংয়ের সময় অস্বস্তিতে ছিল ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত জ্যাকব বেথেল ও হ্যারি ব্রুকের ফিফটি আর উইল জ্যাকসের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে নেপালকে ১৮৫ রানের টার্গেট দিতে সমর্থ হয়েছে ইংল্যান্ড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তুলেছে দুইবারের সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আজ রোববার ‘সি’ গ্রুপ ম্যাচে বেথেল ৩৫ বলে ৫৫, ব্রুক ৩২ বলে ৫৩ ও জ্যাকস ১৮ বলে ৩৯ রান করেন। দিপেন্দ্র সিং আইরে ও নন্দন যাদব দুটি করে এবং শের মাল্লা ও সন্দিপ লামিছানে একটি উইকেট নেন।

আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে তো বটেই, আজ স্বীকৃত টি–টোয়েন্টিতেই অভিষেক হলো শের মাল্লার। নেপালের অফ স্পিনার অভিষেক রাঙালেন প্রথম বলেই উইকেট নিয়ে। ইতিহাসের চতুর্থ বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টির অভিষেকে প্রথম বলেই উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়লেন তিনি।

ইংল্যান্ডের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শের মাল্লার হাতে বল তুলে দেন নেপাল অধিনায়ক রোহিত পৌডেল। তার করা প্রথম বলটাকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে সীমানাছাড়া করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে সন্দীপ লামিচানের হাতে ক্যাচ দেন ফিল সল্ট।

প্রথম বলে উইকেট পেয়েই ভারতের প্রাজ্ঞন ওঝা, হংকংয়ের নাদিম আহমেদ ও স্বদেশি পরশ খাড়কার পাশে বসে যান শের মাল্লা। নেপাল জিতলে অভিষেকটা স্মরণীয় হয়ে থাকতো শের মাল্লার।