ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলেছে ইকুয়েডর। তবে ভালো সুযোগ প্রথম পেয়েছিল ব্রাজিলই। ২২তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট ঠেকিয়ে দেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক গানসালো ভাইয়ে। এরপর উভয় দলই কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি কেউ।

ম্যাচে বল দখল, শট বা সুযোগ তৈরিতে ব্রাজিল পিছিয়ে ছিল ইকুয়েডরের চেয়ে। ব্রাজিলের তিনটি শটের দুটি লক্ষ্যে থাকলেও, ইকুয়েডর সাতটি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগে সমন্বয়হীনতা আরও স্পষ্ট হয়। এই অর্ধে ইকুয়েডরের ইবোয়ার একটি শট ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসন। পরে কাসেমিরো ও এস্তুপিনানার দুটি দূরপাল্লার শটও গোলরক্ষকরা ফিরিয়ে দেন।

শেষ পর্যন্ত কোনো দলই আর উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় ম্যাচটি।

এই ড্রয়ের ফলে ১৫ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে ব্রাজিল। সমান ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইকুয়েডর। এদিনই উরুগুয়েকে হারিয়ে প্যারাগুয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে উঠে এসেছে তিন নম্বরে। উরুগুয়ে আছে পাঁচে, তাদের পয়েন্ট ২১।