শেষ মুহূর্তের কয়েকটি অবিশ্বাস্য সেভ না থাকলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা হয়তো বিদায়ই নিত।
প্রথমার্ধে খুব বেশি কাজ করতে হয়নি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে। তবে বিরতির পর থেকেই কেপ ভার্দে একের পর এক আক্রমণে তার পরীক্ষায় নেয়। ৫৪ মিনিটে দেরয় দুয়ার্তের জোরালো শট বুকের কাছে জমিয়ে রাখেন তিনি। কয়েক মিনিট পর একই দুয়ার্তে গোল করে সমতা ফেরালেও ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে বাঁচিয়ে রাখার কাজ চালিয়ে যান মার্টিনেজ।
অতিরিক্ত সময়েই তার শ্রেষ্ঠত্ব সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে। ১১৬ মিনিটে সিডনি কাবরালের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক দেয়াল টপকে গোলের কোণে ঢুকছিল। পুরো শরীর ছুড়ে এক হাতে বলটি কর্নারের বাইরে ঠেলে দেন মার্টিনেজ। ম্যাচের অন্যতম সেরা সেভ সেটিই।
এরপর ১১৯ মিনিটে আরও বড় পরীক্ষা। ডান দিক থেকে ভেসে আসা ক্রসে গিলসন বেঞ্চিমোল প্রায় গোলের সামনে একা। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্ট্রাইকারের পায়ের সামনে থেকে বল সরিয়ে দেন মার্টিনেজ। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি।
যোগ করা সময়েও আতঙ্ক কাটেনি। কেপ ভার্দের কর্নার থেকে বল পেয়ে মন্টেইরোর শট ব্লক হওয়ার পর পাল্টা আক্রমণে আর্জেন্টিনা গোলের সুযোগ পেলেও ম্যাচের ভাগ্য তখনও ঝুলে ছিল। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত মার্টিনেজ ছিলেন অটল।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি আগেও বহুবার নায়ক হয়েছেন—নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকার, ফ্রান্সের বিপক্ষে কোলো মুয়ানির সেই অবিশ্বাস্য সেভ এখন ইতিহাস। মায়ামিতে নতুন করে আরেকটি অধ্যায় যোগ হলো। এদিন মেসিরা জয়ের পথ খুলে দিলেও, সেই জয়কে শেষ পর্যন্ত নিরাপদ বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।









