লর্ডসে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮২ রানের টার্গেটে নেমে গতকাল তৃতীয় দিন শেষে প্রোটিয়ারা তুলেছে ২ উইকেটে ২১৩ রান। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে তাদের প্রয়োজন আর ৬৯ রান। হাতে এখনো দুই দিনেরও বেশি সময়। এইডেন মার্করাম ১০২ ও তেম্বা বাভুমা ৬৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
অস্ট্রেলিয়ার ২১২ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় ১৩৮ রানে। প্রথম ইনিংসে ৭৪ রানের লিড পাওয়া অজিরা দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অজিদের ধসিয়ে দেয়ার মূল কারিগর কাগিসো রাবাদা (৪/৫৯)। সঙ্গে লুঙ্গি এনগিডি ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। এরপর টেল-এন্ডে মিচেল স্টার্ক (১৩৬ বলে ৫৮*) ও জস হ্যাজেলউডের (৫৩ বলে ১৭) ব্যাটে ভর করে ৬৫ ওভার লড়াই করে ২০৭ রান তুলতে সমর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া। দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রোটিয়াদের চেয়ে ২৮১ রানে এগিয়ে থাকে প্যাট কামিন্সের দল।
প্রথম দিন থেকেই পিচের আচরণ দেখে বিশ্লেষকরা বলছিলেন, ২৮২ রান তোলার কাজটা কঠিন হতে পারে প্রোটিয়াদের জন্য। যদিও ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এতে বড় কৃতিত্ব ওপেনার মার্করাম ও বাভুমার। দলীয় ৯ রানে স্টার্কের বলে রাইয়ান রিকেলটন আউট হয়ে গেলে দ্বিতীয় উইকেটে উইয়ান মুলডারকে নিয়ে ৬১ রান যোগ করেন মার্করাম। দলীয় ৭০ রানে মুলডারকেও (২৭) ফেরান স্টার্ক। এরপর মার্করাম ও বাভুমার শতরানের দুর্দান্ত এক জুটি হতাশ করতে থাকে অজিদের।
৪২তম ওভারের প্রথম বলে নাথান লায়নকে বাউন্ডারি মারেন বাভুমা। এর মধ্য দিয়ে দুজনের জুটিতে ২৩.৩ ওভারে শতরান পূর্ণ হয়। ৩৮.২ ওভারে ১৪৩ রানের জুটিতে অবিচ্ছিন্ন রয়েছেন দুজন।
জিতলে এটাই হবে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে যেকোনো ফরম্যাটে প্রথম কোনো বিশ্বকাপ শিরোপা। এর আগে ১৯৯৮ সালে তারা আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শিরোপা জিতেছিল।










