আমেরিকান টেনিস সুপারস্টার কোকো গাফ ২০২৩ সালে প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম শিরোপার স্বাদ পান। সেবার বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কাকে ফাইনালে হারিয়ে তিনি ইউএস ওপেন জয় করেন। ওই বছর কোর্ট ও কোর্টের বাইরে থেকে বিপুল অর্থ আয় করেন সে সময়ের টিনএজ খেলোয়াড়। তিনি প্রাইজমানি হিসেবে ৬৭ লাখ ডলার ও এনডোর্সমেন্ট হিসেবে আরো দেড় কোটি ডলার আয় করেন। ২০২৪ সালে আরো বেশি আয় করেন। এ বছর প্রাইজমানি হিসেবে ৯৪ লাখ ও এনডোর্সমেন্ট বাবদ আড়াই কোটি ডলার আয় করেন। এ সময় হেয়ারকেয়ার ব্র্যান্ড ক্যারল’স ডটার, ফ্যানাটিকস অ্যান্ড ন্যাকেড জুস তাকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, যা এখন প্রায় ১১টিতে পৌঁছেছে।

গত বছর সব মিলিয়ে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ডলার আয় করেন গাফ, যা ১৯৯০ সাল থেকে ফোর্বসের করা জরিপের হিসাবে নারী অ্যাথলিটদের ইতিহাসে অন্যতম সেরা। এক বছরে তার চেয়ে বেশি আয় করার রেকর্ড আছে শুধু নাওমি ওসাকা (৫ কোটি ৭৩ লাখ ডলার) ও সেরেনা উইলিয়ামসের (৪ কোটি ৫৯ লাখ ডলার); দুজনই যা করেছিলেন ২০২১ সালে। কিন্তু ঈর্ষণীয় এ আয় দিয়েও সেরা ৫০ অ্যাথলিটের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারেননি!

এমনকি গত এক বছরে তার আয় (১ মে ২০২৪ থেকে ১ মে ২০২৫) শেষ সীমা থেকেও ১ কোটি ৯২ লাখ ডলার দূরে! দিন দিন তালিকায় জায়গা করে নেয়া কঠিন হয়ে উঠছে। এবার পঞ্চাশতম কে আয় করতে হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফোর্বসের সেরা পঞ্চাশের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারেননি কোনো নারী। সর্বশেষ নারী হিসেবে ২০২৩ সালে সেরা পঞ্চাশে জায়গা করে নেয়ার কৃতিত্ব দেখান সেরেনা উইলিয়ামস, যা ৯ বছরের মধ্যে তার ষষ্ঠ উপস্থিতি ছিল। অবশ্য মা হওয়ার পর অনেকটা বাধ্য হয়েই অবসর নিয়েছেন। এর বাইরে ২০১২ সাল থেকে মাত্র তিনজন নারী ফোর্বসের সেরা পঞ্চাশে জায়গা করে নিতে পেরেছেন: চীনের টেনিস গ্রেট লি না, রাশিয়ার টেনিস মহাতারকা মারিয়া শারাপোভা ও জাপানি টেনিস মহাতারকা ওসাকা। প্রথম দুজন অবসর নিয়েছেন, তৃতীয়জন মা হওয়ার পর ক্যারিয়ারটা শ্লথ হয়ে পড়েছে। ফোর্বস