বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রানচার্টে শীর্ষে উঠে গেলেন রংপুর রাইডার্সের তাওহীদ হৃদয়। আজ রোববার নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১০৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি রংপুরকে জেতান ৮ উইকেটের ব্যবধানে। সেই সঙ্গে রানে ছাড়িয়ে গেলেন সবাইকে। ১০ ম্যাচে ৪২ গড়ে ও ১৩৯.৪৮ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেছেন ৩৭৮ রান। হৃদয় পেছনে ফেলেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের নাজমুল হোসেন শান্ত ও সিলেট টাইটানসের পারভেজ হোসেন ইমনকে। দুজনই করেছেন ৩২৯ রান। তিনশ রান করেছেন এই তিনজনই।

চলতি বিপিএলে এটা তৃতীয় সেঞ্চুরি। তিন সেঞ্চুরির দুটিই হয়েছে আজ। হৃদয়ের আগে ১০৭ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেন নোয়াখালীর হাসান ইসাখিল। গত ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে স্বাগতিক সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে ৬০ বলে ১০১ রান করেছিলেন শান্ত।

আফগান ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবির ছেলে হাসান ইসাখিল চলতি বিপিএলে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই করেন ৬০ বলে ৯২ রান। ওই ম্যাচে ঢাকাকে হারিয়ে দেয় নোয়াখালী। ঢাকায় ফিরে চট্টগ্রামের বিপক্ষে তিনি করেন ২০ বলে ২৫ রান। এবার তৃতীয় ম্যাচে এসে পেলেন সেঞ্চুরি। আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে রংপুরের বিপক্ষে ৭২ বলে ১০৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে ২ উইকেটে ১৭৩ রানের পুঁজি গড়ে দেন ইসাখিল। যদিও নোয়াখালীর হারে বিফলেই যায় তার সেঞ্চুরি। হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটে জিতেছে রংপুর।

টস জিতে নোয়াখালীকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুর। ৩২ রানে রহমত আলী ও ৩৬ রানে জাকের আলী সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর অধিনায়ক হায়দার আলীকে নিয়ে ৭৪ বলে ১৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ইসাখিল। এ পথে ৫০ বলে ফিফটি করেন তিনি। পরের ফিফটি আসে মাত্র ২০ বলের কনকর্ডে চেপে। সব মিলে বাউন্ডারি ও ১১ ছক্কায় করেন ১০৭ রানের হার না মানা ইনিংস। ৩২ বলে ৪২ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন হায়দার আলী।