জার্মান বুন্দেসলিগায় শিরোপা থেকে এক জয় দূরে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। রোববার ১০ জনের দল অগসবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে উঠেছে দলটি। বায়ার্ন মিউনিখকে দুই পয়েন্ট পেছনে ফেলেছে তারা। ৩৩ রাউন্ড শেষে ডর্টমুন্ডের ঝুলিতে ৭০ পয়েন্ট ও বায়ার্নের ৬৮। শনিবার রাতে লিগজিগের কাছে ১-৩ গোলে হেরে যায় বায়ার্ন। তাতেই ডর্টমুন্ডের শীর্ষে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়।

 

২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টানা দশটি বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতে নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে বায়ার্ন মিউনিখ। সেই কর্তৃত্বের অবসান হতে চলেছে এবার। ডর্টমুন্ড ২০১১-১২ মৌসুমের পর লিগ শিরোপা জেতেনি। এবার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে তাদের।

আগামী শনিবার টমাস টুখেলের বায়ার্ন মিউনিখ খেলতে যাবে কোলনে, একই দিন একই সময়ে ডর্টমুন্ড ঘরের মাঠে খেলবে মেইঞ্জের বিপক্ষে। বায়ার্নের চেয়ে অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক অবস্থানেই রয়েছে ডর্টমুন্ড।

 

গত মার্চে জুলিয়ান নাগেলসম্যানকে বরখাস্ত করে টুখেলেকে নিয়োগ দেয় বায়ার্ন। তখন টুখেলকে দ্রুত নিয়োগ করা হয় যেন তিনি দলকে শিরোপার পথে এগিয়ে নেন। কিন্তু বাভারিয়ানরা এখন লিগের শেষ ম্যাচের আগে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও বিদায় ঘটেছে তাদের।

 

বায়ার্ন এখন নিজেদের জয়ের পাশাপাশি ডর্টমুন্ডের হোঁচট খাওয়ার প্রার্থনাই হয়তো করবে।

 

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রোববার চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা উদযাপন করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। আগের রাতে নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে আর্সেনাল হেরে গেলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় সিটির। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বার লিগ শিরোপা ঘরে তুলল পেপ গার্দিওলার দল।

 

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে ১১তম লিগ শিরোপা পথে পিএসজি। রোববার রাতে অজিরেকে ২-১ গোলে হারায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। কিলিয়ান এমবাপ্পে করেন দুটি গোল। লিগের ইতিহাসে দ্রুততম জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। তিনি ম্যাচের ষষ্ঠ ও অষ্টম মিনিটে গোল করেন। শেষ দুই ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পেলেই শিরোপা জিতে নেবে পিএসজি। ৩৬ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৮৪, সমান ম্যাচে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লঁস।

 

লা লিগায় শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে বার্সেলোনা। শনিবার তারা রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হেরেছে। রোববার ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে ১-০ গোলে হেরেছে। অবশ্য নিজেদের মাঠে ওসাসুনাকে ৩-০ গোলে হারায় অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। এই জয়ে রিয়ালকে টপকে দুইয়ে উঠে যায় দিয়েগো সিমিওনের দল। ৩৫ রাউন্ড শেষে অ্যাতলেটিকো পয়েন্ট ৭২, সমান ম্যাচে রিয়ালের ৭১। এরই মধ্যে শিরোপা নিশ্চিত করা বার্সার সংগ্রহ ৮৫।