সাবেক লিভারপুল সতীর্থ মোহাম্মদ সালাহ ও কৃতী গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দিকে পেছনে ফেলে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন সাদিও মানে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতলেন সেনেগালিস স্ট্রাইকার। গতবারও এ পুরস্কার জেতেন তিনি। অন্যদিকে নারী ফুটবলারদের মধ্যে রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো এ পুরস্কার জিতেছেন বার্সেলোনায় খেলা নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আসিসাত ওশোয়ালা।
এদুয়ার্দ মেন্দি, সাদিও মানে ও মোহাম্মদ সালাহ—তিন তারকার জন্ম ১৯৯২ সালের মার্চ, এপ্রিল ও জুনে। একই বছর জন্মগ্রহণ করায় তিনজনের বয়সের কাঁটাও ঠিক ত্রিশে। এবার আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে লড়াই হয়েছে এ ‘তিন ত্রিশ’-এর মধ্যেই।
ট্রফি জয়ের পর মানে বলেছেন, এ বছর ট্রফিটি জেতায় আমি খুব খুশি। চলতি ট্রান্সফার মার্কেটে লিভারপুল থেকে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেয়া এ তারকা আরো বলেন, আমি সেনেগালের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই এবং আমার দেশের যুবকদের ট্রফিটি উৎসর্গ করছি।
গত মৌসুমে সাদিও মানে লিভারপুলের হয়ে ৫১টি ম্যাচ খেলে ২৩টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরো ৫টি গোল। ক্লাব ফুটবলে সালাহর মতো মৌসুম না কাটলেও আফ্রিকার বর্ষসেরা হওয়ার দৌড়ে এক কদম এগিয়েই ছিলেন তিনি। সেনেগালকে কাতার বিশ্বকাপে নেয়ার পাশাপাশি জিতিয়েছেন আফ্রিকান নেশনস কাপ শিরোপা। প্রতিযোগিতায় ৩টি গোল করেছেন তিনি।
গত মৌসুমটা লিভারপুলের হয়ে ভালো কেটেছে সালাহর। মিসরের ফরোয়ার্ড সব ধরনের প্রতিযোগিতায় রেডদের হয়ে গত মৌসুমে ৫১টি ম্যাচে ৩১ গোল করেন।








