চলতি বাছাই টুর্নামেন্টে শ্রীলংকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অংশ
নেয়ায় জিম্বাবুয়ে মোটেও ফেভারিট ছিল না। তবু শেষ পর্যন্ত তারা দারুণ ফেভারিট হয়ে
ওঠে। নাটকীয়তায় ভরা টুর্নামেন্টে ব্যর্থ হয় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট
ইন্ডিজ। এবার তাদের পথ অনুসরণ করল জিম্বাবুয়েও। ভারতে অনুষ্ঠেয় আসরে আফ্রিকান
দেশটিও থাকছে না।
বিশ্বকাপের টিকিট পেতে আজ স্কটল্যান্ডকে হারালেই চলতো
স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তারা ৩১ রানে হেরে বিদায়
নিল। ৮ উইকেটে ২৩৪ রান তুলেছিল স্কটিশরা। মাইকেল লিস্ক ৩৪ বলে ৪৮ রান করেন। জবাবে ২০৩
রানে গুটিয়ে যায় ক্রেগ আরভিনের দল। ক্রিস সোলের আগুণে বলের সামনে ৩৪ রানের মধ্যে
প্রথম চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। রায়ান বার্ল ৮৪ বলে ৮৩ রান করেও
দলকে জেতাতে পারেননি। ক্রিস সোলে ৩৩ রানে তিনটি, ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলেন ৩১ রানে
দুটি ও লিস্ক ৩১ রানে দুটি উইকেট নেন। ম্যাচসেরা ক্রিস সোলে।
এই হারে জিম্বাবুয়ের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস মুখোমুখি হবে। ওই ‘মিরাকল’ কিছু না ঘটলে
চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে যাবে স্কটল্যান্ড।
সুপার লিগে তিন ম্যাচ শেষে সব মিলে ৬ পয়েন্ট সংগ্রহ
করেছে জিম্বাবুয়ে। এক ম্যাচ হাতে রেখে স্কটল্যান্ডেরও পয়েন্ট সমান ৬। তবে নিট
রানরেটে জিম্বাবুয়ের (-০.০৯৯) চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে স্কটল্যান্ড (০.২৯৬)। নেদারল্যান্ডস
৪ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে টেবিলের চারে। তাদের নিট রানরেট (-)০.০৪২। তার মানে, স্কটল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস
ম্যাচ থেকেই একটি দল যাবে বিশ্বকাপে।
২০১৮ সালের পর ফের ২০২৩। দুটি বিশ্বকাপের বাছাই
টুর্নামেন্টে হৃদয় ভাঙল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট সমর্থকদের। দুটি টুর্নামেন্টেই শেষ
দুটি ম্যাচের মাত্র একটি জিততে হতো জিম্বাবুয়েকে। কিন্তু তারা দুটিতেই হেরে যায়।
ফলে ২০১৯ সালের পর ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও জিম্বাবুয়েকে দেখা যাবে দর্শক
হয়ে।
এদিকে, আয়ারল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর এবার আইসিসির
আরেক পূর্ণ সদস্য দেশ জিম্বাবুয়েকে হারানোর কৃতিত্ব দেখাল স্কটল্যান্ড। ইউরোপের
দলটির অবিশ্বাস্য এই জয়ে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে বুলাওয়ের গ্যালারিতে। কেননা
জিম্বাবুয়ের সমর্থকরা ততক্ষণে বুঝে ফেলেছেন, আরেকবার বিশ্বকাপে দর্শক হতে হবে
তাদের। ইংল্যান্ডের পর এবার ভারতেও যাওয়া হচ্ছে না জিম্বাবুয়ের।
ডাচদের ক্ষীণ সম্ভাবনা
থাকলেও বাছাই টুর্নামেন্ট থেকে শ্রীলংকার পর এখন দ্বিতীয় টিকিটের জন্য স্কটিশরাই
ফেভারিট।










