টানা দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি আসর বিগ ব্যাশে দল পেলেন বাংলাদেশের ২২ বছর বয়সী লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। গত মৌসুমের ড্রাফটে তাকে দলে নিয়েছিল হোবার্ট হারিকেনস। সেবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাননি বলে খেলাও হয়নি। তাই বলে হোবার্ট তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়নি। বরং মুগ্ধতা আরো বেড়েছে। তাই ২০২৫ সালের আসর সামনে রেখে সম্প্রতি হওয়া প্লেয়ার্স ড্রাফটে তাকে দলে টেনেছে হোবার্ট।
এবারের পাকিস্তান সুপার লিগে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলেছেন রিশাদ। প্রথম তিন ম্যাচেই নেন ৮ উইকেট। সব মিলিয়ে ৭ ম্যাচে ১৩ উইকেট। এবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাহোর। দলের প্রয়োজনের সময় উইকেট নিতে পারঙ্গম রিশাদ। তার এ সামর্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়েই আবারো দলে টানল হোবার্ট।
বিগ ব্যাশের দলটির অধিনায়ক নাথান এলিস ড্রাফট থেকে রিশাদকে দলে নেয়ার পর বলেছেন, মাঝের ওভারে বেশি উইকেট চান তারা। সে কারণেই তো ইংল্যান্ডের রেহান আহমেদকেও কিনেছে দলটি। এলিসের কথায়, ‘রিশাদ ও রেহানকে নিয়েছি, কারণ মাঝের ওভারে আমাদের উইকেট নেয়ার সামর্থ্য বাড়াতে চেয়েছি। আমরা রিশাদকে গত বছর নিতে চেয়েছিলাম, এবারো নিতে পেরেছি। ওকে দলে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ও এরই মধ্যে সম্ভাবনাময় এক লেগ স্পিনার হিসেবে ঝলক দেখিয়েছে।’
বিগ ব্যাশের পডকাস্টে দলগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তিনি বলেছেন, ‘রিশাদ দারুণ এক বাংলাদেশী লেগ স্পিনার। আধুনিক লেগ স্পিনারদের চেয়ে সে একটু অন্য রকম। সে হাওয়ায় ভাসিয়ে বোলিং করতে পছন্দ করে। চাপে থাকলে বলের গতি কমায়। আমি যাদের বোলিং করতে দেখেছি, তাদের কারো সঙ্গে যদি রিশাদের বোলিং তুলনা করতে চাই তাহলে ওকে নিউজিল্যান্ডের ইশ সোধির সঙ্গে তুলনা করব। ও বল হাওয়ায় ভাসাবে, দারুণ গুগলি আছে, গতির ব্যবহার করে। দারুণ একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাটিয়েছে রিশাদ। অসাধারণ বোলার।’










