এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ‘ই’ গ্রুপে আজ নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও হারল বাংলাদেশ। স্বাগতিক মালয়েশিয়ার কাছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা হেরেছে ১-৪ গোলের বড় ব্যবধানে।

 

বাহরাইন ও তুর্কমেনিস্তানের কাছে টানা হেরে ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপ ফুটবলে খেলার স্বপ্ন প্রায়ই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। আজ মালয়েশিয়ার কাছেও হারলে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়। টানা তিন জয়ে ‘ই’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাহরাইন, গ্রুপ রানার্সআপ মালয়েশিয়া। ছয় গ্রুপের ছয়টি রানার্সআপ দলের মধ্যে সেরা পাঁচটিও যাচ্ছে এশিয়ান কাপে। এই পাঁচটির একটি মালয়েশিয়া। গ্রুপে বাহরাইনের পূর্ণ ৯ পয়েন্ট, মালযেশিয়ার ৬। তুর্কমেনিস্তানের ঝুলিতে ৩ পয়েন্ট। বাংলাদেশ দেশে ফিরছে খালি হাতে।

 

উল্লেখ্য, আগেই ১৩টি দেশ এশিয়ান কাপে উত্তীর্ণ হয়েছে। মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বাছাইপর্ব থেকে যাচ্ছে আরো ১১টি দল। ৬ গ্রুপে চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে যোগ দেবে সেরা পাঁচ রানার্সআপ।

 

কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের ১৬ মিনিটেই গোল হজম করে বাংলাদেশ। এ সময় স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন মুহা. সাফাভি রসিদ। ৩১ মিনিটে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের গোলে সমতা আনে বাংলাদেশ। সাত মিনিট পর ফের ব্যবধান বাড়ান মালয়েশিয়ার ডিওন কুলস। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর দুই মিনিটের মাথায় ব্যবধান ৩-১ করে দেন শফিক আহমাদ। ৭৩ মিনিটে অত্যন্ত কাছ থেকে নেয়া শটে মালয়েশিয়ার চতুর্থ গোলটি করেন ড্যারেন লক।

 

আজকের ম্যাচ নিয়ে এখন পর্যন্ত দুই দল ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে। তাতে মালয়েশিয়ার জয়ের পাল্লাই বেশি ভারী। তারা জিতেছে ৭টিতে, বাংলাদেশ একটিতে। ড্র হয়েছে দুটি। ১৯৭৫ সালে মারদেকা কাপে প্রথম মুখোমুখি হয় দুই দল। প্রথম ম্যাচেই লাল-সবুজ দলকে ৩-০ গোলে হারতে হয়েছে। পরের বছর কিংস কাপে বাংলাদেশকে ৬-০ গোলে হারের লজ্জা দেয় মালয়েশিয়া। জয় বলতে ১৯৭৮ সালের এশিয়ান গেমসে ২-১ গোলে। আশিষ ভদ্র ও প্রয়াত বাদল রায় গোল দুটি করেছিলেন। ড্র হয়েছিল ২০১২ ও ২০১৫ সালে।

 

৭ বছর পর পুরনো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে দাঁড়াতেই পারল না জামাল ভূঁইয়ার দল।