১৯৫৪ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সোবার্স খেলেন ৯৩টি টেস্ট। ২৬ সেঞ্চুরিতে ৫৭.৭৮ গড়ে করেন ৮ হাজার ৩২ রান। ৩৪.০৩ গড়ে উইকেট নেন ২৩৫টি। ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেন ছয়বার। ১৯৭৩ সালে একটি ওয়ানডেও খেলেন তিনি।
১৯৫২-৫৩ মৌসুমে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সোবার্সের অভিষেক হয় ১৬ বছর বয়সে। এক বছর পর জ্যামাইকায় তার টেস্ট অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।
২৩ বছর বয়সে করেন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। তবে সেদিন শুধু সেঞ্চুরি করেই থামেননি তিনি, সেটিকে রূপান্তর করেন ট্রিপল সেঞ্চুরিতে। ১৯৫৮ সালে স্যাবাইনা পার্কে পাকিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ৩৬৫ রানের ওই ইনিংস খেলেন। তাতে ১৯৩৮ সালে লেন হাটনের করা ৩৬৪ ছাড়িয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড লেখা হয় নতুন করে। সোবার্সের রেকর্ডটি টিকে ছিল ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৭৫ রানের ইনিংস খেলে সেটি ভেঙে দেন আরেক ক্যারিবিয়ান ব্রায়ান লারা। সেটির সাক্ষী ছিলেন সোবার্স।
এছাড়া ৩৮৩টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে ৫৪.৮৭ গড়ে তার রান ২৮ হাজার ৩১৪। সেঞ্চুরি ৮৬টি। ২৭.৭৪ গড়ে উইকেট ১ হাজার ৪৩টি। লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেন ৯৫টি। সেখানে তার রান তিন হাজারের কাছাকাছি, উইকেট একশর বেশি। ওয়ানডে ক্রিকেটের আবির্ভাবের সময়ে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার প্রায় শেষদিকে। এ সংস্করণে একটিই ম্যাচ খেলেন তিনি, ১৯৭৩ সালে হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৯৭৫ সালে তাকে নাইট উপাধি দেয়া হয়।









