নখ কামড়ানো উত্তেজনায়
শেষ হলো জার্মান বুন্দেসলিগার ২০২২-২৩ মৌসুম। আজ শনিবার ৩৪তম রাউন্ডে শুধু জিতলেই
বায়ার্নের দশ বছরের শ্রেষ্ঠত্বের অবসান ঘটিয়ে শিরোপা জিতে নিতো বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
কিন্তু তারা সমীকরণ মেলাতে পারেনি। ঘরের মাঠে মেইঞ্জের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে
স্নায়ুচাপে ভোগা বরুশিয়া। এই সুযোগে কোলনের মাঠে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে
রাখতে সমর্থ হয় বাভারিয়ানরা।
মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে
ডর্টমুন্ডকে হারাল বায়ার্ন। ৩৪ রাউন্ড শেষে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন টমাস
টুখেলের দল। সমান ম্যাচে ডর্টমুন্ড ৭০ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পেরেছে।
২০১১-১২ মৌসুমের পর বুন্দেসলিগার
শিরোপা জেতা হয়নি ডর্টমুন্ডের। এবার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত তারা
সেটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলো। ডর্টমুন্ডের মাঠে ২৪ মিনিটেই ২-০ গোলের লিড নেয়
মেইঞ্জ। আগেভাগে দুই গোল হজম করে ভীষণ চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দলটি। সেই চাপ থেকে
আর বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে এক গোল শোধ করলে সমতা আসে
বটে, তবে তা শিরোপা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
অন্য ম্যাচে বায়ার্ন
ড্রয়ের পথেই ছিল। যদিও ৮৯ মিনিটে জার্মান তরুণ জামাল মুসিয়ালা গোল করে বায়ার্ন
মিউনিখের শিরোপা নিশ্চিত করে দেন। এর আগে অষ্টম মিনিটে কিংসলে কোমানের গোলে লিড
নিয়েছিল বায়ার্ন। ৮১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা আনেন কোলনের লুবিচিচ। অবশেষে
মুসিয়ালা ত্রাতা হয়ে আসেন শেষ মিনিটে।
গত মার্চে হুলিয়ান
নাগেলসম্যানকে সরিয়ে টুখেলকে নিয়োগ করে বায়ার্ন। তার অধীনে বাভারিয়ানরা
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেয়। যদিও লিগ শিরোপা জিতে সফলভাবে মৌসুম শেষ করতে
পারছেন তিনি।
বুন্দেসলিগায় এর আগে
সর্বশেষ ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে শেষ দিন দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল শিরোপা জিতে নিয়েছিল।
সেবার লেভারকুসেনকে কাঁদিয়ে শিরোপা জিতেছিল বায়ার্ন। এবার তারা কাঁদালো
ডর্টমুন্ডকে।










