শাহরিয়ার নাজিম জয় ১৯৯৭ সালে টেলিভিশনে অভিনয়ের মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। এর আগে থিয়েটারেও তার ছিল সরব ও সক্রিয় উপস্থিতি। অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি ছোটপর্দায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় তার ব্যস্ততা।

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের বাইরে লন্ডনে মঞ্চস্থ একটি নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন জয়। পরবর্তী সময়ে তিনি চলচ্চিত্রেও কাজ শুরু করেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তিনি দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক ও সিনেমা পরিচালনাতেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। একই সঙ্গে উপস্থাপক হিসেবেও তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নানা মাধ্যমে সমানভাবে বিচরণ করায় অনেকে তাকে বাংলাদেশের শোবিজের ‘অলরাউন্ডার’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

শাহরিয়ার নাজিম জয় বলেন, ‘আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি, কারণ এখনো আমাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রধান চরিত্রে ডাকা হয়। সামনে পাপকাহিনি সিজন–২ এ কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এজন্য অভিনেতা পরিচয় নিয়ে আমি গর্বিত। বেশ কয়েক বছর উপস্থাপনাও করেছি, সেটিও আমাকে জনপ্রিয়তা দিয়েছে। উপস্থাপনাকেও আমি এক ধরনের অভিনয় হিসেবেই দেখি।’

শাহরিয়ার নাজিম জয় অভিনীত নাটকের সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি। তার জনপ্রিয় নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে খড়ের পুতুল, মুখোশ, বিলেতি বিলাস, লাল ঘুড়ি, পাতা ঝরে বৃক্ষ মরে না, প্রতিদিন একটি গোলাপ, যদিও সন্ধ্যা, সমুদ্র বিলাস ও বিয়ের আংটি। তার অভিনীত চলচ্চিত্র গ্রামগঞ্জের পিরিতি ও জীবনের গল্প দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। অন্যদিকে, তার নির্মিত চলচ্চিত্র প্রার্থনা দুটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।