ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘পদ্মবিভূষণ’ (মরণোত্তর) ২০২৬ এ ভূষিত হয়েছেন দেশটির জনপ্রিয় ও কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। গতকাল এ বছরে দেশটির সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে ঘোষিত হয় ধর্মেন্দ্রর নাম। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ও ব্যতিক্রমী সেবার জন্য সেরা ব্যক্তিদের প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় এই সম্মান প্রদান করে ভারত সরকার।

ধর্মেন্দ্রকে এ সম্মানে ভূষিত করায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন তার পরিবার, স্বজন ও ভক্তরা। তবে আনন্দের পাশাপাশি আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন ধর্মেন্দ্রের স্ত্রী ও অভিনেত্রী হেমা মালিনী।

এক বার্তায় হেমা মালিনী লিখেছেন, ‘এই সম্মান ধর্মাজির আরো আগেই পাওয়া উচিত ছিল।’ তার মতে, ধর্মেন্দ্র শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেতাই নন, বরং একজন মানবদরদি মানুষ হিসেবেও আজীবন কাজ করেছেন। হেমা জানান, কেউ কোনোদিন তার কাছ থেকে খালি হাতে ফেরেনি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তিনি সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিনোদন দুনিয়ায় দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কেরিয়ারের পাশাপাশি রাজনীতিবিদ হিসেবেও ধর্মেন্দ্র সমান সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল ছিলেন।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ায় খবরে প্রকাশ, সংবাদসংস্থা পিটিআইকে হেমা মালিনী বলেন, ‘আমি তার জন্য ভীষণ খুশি। একজন অভিনেতা হিসেবে অবদানের জন্য তিনি এই সম্মানের পুরোপুরি যোগ্য। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি চলচ্চিত্র জগতে কাজ করেছেন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন।’

গতকাল ধর্মেন্দ্রর কন্যা এশা দেওলও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি প্রয়াত বাবার পদ্মসম্মান এবং ভাই সানি দেওলের ছবি ‘বর্ডার ২’-এর সাফল্যের কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস দেওল পরিবারের কাছে বিশেষ হয়ে থাকবে। একই দিনে দু’টি সুখবর পরিবারকে নতুন করে উজ্জীবিত করেছে।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গতবছরে ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ে মারা যান ধর্মেন্দ্র।