২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছে দক্ষিণের নায়ক ইয়াশের কে. জি. এফ: চ্যাপ্টার ওয়ান। মুক্তির পরই রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করে অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী ছবিটি। কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে অন্যতম ব্যবসাসফল ও আলোচিত ছবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ছবিটি। আর অভিনেতা হিসেবে ইয়াশও পেয়ে যান সুপারস্টারের খ্যাতি।

ছবিতে ইয়াশের লম্ব চুল আর দাড়ি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলে। কে. জি. এফ: চ্যাপ্টার টুতেও একই চেহারায় দেখা মিলবে ইয়াশের। কয়েক বছর ধরেই ইয়াশ তার এই লুক অপরিবর্তিত রেখেছেন। ইয়াশের কথায়, এই লুক এখন তার ব্যক্তিত্বের অংশ হয়ে গেছে। এবং এটা আমি খুব পছন্দ করি।

সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাত্কারে ইয়াশ বলেন, ‘চার বছর হয়ে গেল! কেজিএফ ছবির লুকের জন্য দাড়িটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই লুকই আমার ‘রকি’ চরিত্রটা নির্মাণ করেছে—বেপরোয়া, কঠোর ও গভীর। কিন্তু এখন এটা আমার ব্যক্তিত্বেরই অংশ হয়ে গেছে এবং আমি এটাকে ভালোাসি। যদিও এই লুক মেইনটেইন করাটা ঝামেলার, তবে এখন আর তাতে কিছু মনে করি না।’


সম্প্রতি চলচ্চিত্র জগতে ইয়াশ তার এক যুগ পূর্ণ করেছেন। মোগিনা মানাসু ছবি দিয়ে শুরু হয়েছিল তার ক্যারিয়ার। এজন্য তিনি সে ছবির প্রযোজক, পরিচালককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

কে. জি. এফ : চ্যাপ্টার টু এ বছরই মুক্তি পাওয়ার কথা। প্রশান্ত নীলের পরিচালনায় এবার এ ছবিতে দেখা যাবে সঞ্জয় দত্তকেও।

কে. জি. এফ: চ্যাপ্টার ওয়ান কন্নড় ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবি। ছবিটি সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি আয় করেছে। এক সমালোচক লিখেছিলেন, ছবিতে ইয়াশের রকি চরিত্রটি এখন শহরের সুপারহিরো।

 

সূত্র: ডিএনএ