সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, মাঝে বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত নামাজ ও খাবারের বিরতি রাখা হয়। এবার ভোট দেন মোট ৫৭৩ জন শিল্পী।
এক মাস ধরে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম ছিল এফডিসি এলাকা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের পদচারণায় জমজমাট ছিল পুরো প্রাঙ্গণ।
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিযোগিতা হয় দুটি প্যানেলের মধ্যে। একদিকে আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তির নেতৃত্বাধীন প্যানেল, অন্যদিকে শিবা শানু ও জয় চৌধুরীর প্যানেল।
আরমান-মুক্তি পরিষদে সহসভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নূতন ও ইলিয়াছ কোবরা। এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এমএ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কামরুজ্জামান কমল ছিলেন এই প্যানেলে। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে লড়েন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী, রাকা, শারমিন আক্তার, লতিফ (চিতা), নাসরিন, সুশান্ত, শাহীন কমেডি, বাদল শেখ, আরমান খান ও শামীম খান (চিকন আলী)।
অন্যদিকে শিবা সানু-জয় চৌধুরী পরিষদে সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন ডিএ তায়েব ও রোজিনা। সহসাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুশফিকুর রহমান কাকন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাদু আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই প্যানেলের কার্যকরী পরিষদ সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আলীরাজ, ফরহাদ, শিপন মিত্র, ফিরোজ শাহী, ইয়ামীন হক ববি, হাসান জাহাঙ্গীর, শিরিন শিলা, ফাল্গুনী রহমান জলি, কায়েশ আরজু ও কাবিলা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, তার সঙ্গে কমিশনে ছিলেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও বিএইচ নিশা। জটিলতা তৈরি হলে তা মেটাতে আপিল বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেন ছটকু আহমেদ, কাজী হায়াৎ ও বাদল খন্দকার।
নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসি এলাকায় কড়া নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও প্রাঙ্গণে সক্রিয় ছিলেন।










