সম্প্রতি করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছে বচ্চন পরিবার। সুস্থ হওয়ার পর দুদিন আগে প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছেন অমিতাভ বচ্চন। মুম্বাইয়ে নিজের বাড়িতে লাগিয়েছেন একটি গুলমোহর গাছের চারা। গুলমোহর বা কৃষ্ণচূড়া গাছের সঙ্গে বিগ বির অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। গাছ লাগানোর এ উপলক্ষকে ঘিরে সোস্যাল মিডিয়ায় সেই স্মৃতি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন বিগ বি।

মুম্বাইতে অমিতাভ বচ্চনের প্রথম বাড়ি ‘প্রতীক্ষা’। আসলে এটা তার বাবা, হিন্দি ভাষার বিশিষ্ট কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের। এ বাড়িতে প্রায় ৪৪ বছর আগে অমিতাভ বচ্চন একটি গুলমোহর গাছ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের জুলাইয়ে ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে অমিতাভের লাগানো সেই গাছ।

অমিতাভের মা তেজি বচ্চনের পুরো নাম তেজওয়ান্ত কৌর সুরি। মায়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে চান অমিতাভ বচ্চন। মাতেজি বচ্চনের স্মৃতিতে তাই বাড়ির একই জায়গায় আরেকটি গুলমোহর গাছের চারা লাগালেন বিগ বি।

মায়ের স্মৃতি রক্ষায় গাছ লাগানো নিয়ে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, বিশাল গুলমোহর গাছটা আমি একদিন চারা হিসেবে পুঁতেছিলাম। ১৯৭৬ সালে যখন আমাদের প্রথম বাড়ি প্রতীক্ষায় আসি তখন চারাটি লাগিয়েছিলাম। সম্প্রতি ঝড়ে গাছটা উপড়ে গেছে। ১২ আগস্ট আমার মায়ের জন্মদিনে তার স্মৃতিতে আমি একই জায়গায় ওনার নামে একটা গুলমোহর গাছের চারা রোপণ করলাম। একদম ঠিক আগের গাছটার জায়গায়!

অমিতাভ বচ্চন তার বাবা জনপ্রিয় কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের একটি কবিতার লাইনও জুড়ে দেন নিজের পোস্টের সঙ্গে। যে কবিতায় প্রকৃতির নিয়মের কথা বলেছেন হরিবংশ রাই বচ্চন। লিখেছেন, ‘সৃষ্টি হলে ধ্বংসও থাকবে, কিন্তু তাই বলে থেমে গেলে চলবে না।’ (জো বসে হ্যায় ওহ উজড়তে হ্যায়, প্রকৃতি কি জড় নিয়ম সে, পার কিসি উজড়ে হুয়ে কো, ফির বাসানা কব মানা হ্যায়?)

অমিতাভ বচ্চন নিজের ব্লগে গাছের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বলেন। লেখেন তার প্রিয় গাছ সম্পর্কেও। তিনি লেখেন, তার সবচেয়ে প্রিয় ফুল গোলাপ। এছাড়া শিউলি ও হাসনাহেনাও তার খুব পছন্দের।

 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস