এর মধ্যেই অভিনেত্রী জানালেন, তিনি ডিজক্যালকুলিয়া নামে একটি সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে সংখ্যা বুঝতে সমস্যা হয় তারার। হিসাব নিকাশেও তাই কাঁচা তিনি। রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে তার ভালো লাগে। তবে অর্থ ব্যবস্থাপনার গাণিতিক বিষয়গুলো বুঝতে বাবা প্রায়ই তাকে সহযোগিতা করেন। নিজের আর্থিক বিষয় ও বিনিয়োগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ সমস্যার কথা জানান।
আর্থিক সচেতনতা নিয়ে হটারফ্লাইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অর্থ ব্যবস্থাপনায় পরিবার ও টিমের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন তারা। তিনি বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে বাবা আর্থিক বিষয়গুলোয় আমাকে সাহায্য করেন। একজন নারী হিসেবে ব্যাংক সংক্রান্ত কাজ, কাগজপত্র এবং কীভাবে নিজের অর্থের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে হয় তা নিয়ে সবকিছু জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি যতটা সম্ভব বোঝার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার একটি লার্নিং ডিজঅ্যাবিলিটি রয়েছে—গণিতসংক্রান্ত লার্নিং ডিজঅ্যাবিলিটি। এর নাম ডিসক্যালকুলিয়া। আমি চেষ্টা করি, কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই ভুল করে ফেলি। তাই আমার টিমের প্রয়োজন হয়। আমার অ্যাকাউন্টস টিম সবকিছু দেখাশোনা করে।’
ডিসক্যালকুলিয়াকে অনানুষ্ঠানিকভাবে কখনো কখনো ‘ম্যাথ ডিসলেক্সিয়া’ বলা হয়, যদিও দুটি একই ধরনের সমস্যা নয়। ডিসক্যালকুলিয়া একটি নির্দিষ্ট ধরনের লার্নিং ডিজঅর্ডার, যার কারণে গাণিতিক ও সংখ্যাভিত্তিক বিষয় বোঝা, শেখা ও সম্পাদন করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
নিজের বিনিয়োগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সুতারিয়া বলেন, ‘আমার বিনিয়োগের পোর্টফোলিও বেশ বৈচিত্র্যময়। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে আমি শিখছি। এসব বিষয় নিয়ে আমি বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করি, কারণ তাদের অনেকেরই এ বিষয়ে ভালো ধারণা রয়েছে। আমার বাড়ি খুব পছন্দ। আর রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করতেও আমার ভালো লাগে।’
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










