গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলায় শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। বগুড়া, রাজবাড়ী, নরসিংদী, গোপালগঞ্জ, গাইবান্ধা, ফেনী, চাঁদপুর ও চুয়াডাঙ্গায় জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। দিবসটিতে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা ও শহীদ পরিবারকে সম্মাননাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়।
সকালে দেশের জেলা শহরগুলোর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। বগুড়ার সাতমাথায় বগুড়া-৬ আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা ও জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নরসিংদীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন ও জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেন। গোপালগঞ্জ ক্রিকেট স্টেডিয়ামসংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান সদর আসনের এমপি ডা. কেএম বাবর ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান। ফেনীতে জেলা প্রশাসক মনিরা হক ও পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার শ্রদ্ধা জানান। চাঁদপুরে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এবং চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘১৬ জুলাই আমাদের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও গৌরবময় দিন। এটি তরুণদের অদম্য সাহসের প্রতীক।’
রাজবাড়ীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলা প্রশাসকদের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দ্রুত বিচার সম্পন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রীয় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
সব জেলায় শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরের ভিত্তিতে সংকলিত প্রতিবেদন










