সহিংসতা বন্ধে ড. ইউনূসের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ কথা জানান। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ছকে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ড. ইউনূসের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস শপথ নিয়েছেন। প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো যোগাযোগ আছে কিনা।

জবাবে মিলার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, এবং আমাদের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স তার শপথ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন। তবে আমি জানি না তিনি শপথ গ্রহণে তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন কিনা।

যোগাযোগের প্রকৃতিটা কেমন এমন প্রশ্নের জবাবে মিলার হেসে বলেন, তিনি (ইউনূস) এক ঘণ্টা বা তার একটু আগে বা দুই ঘণ্টা আগে শপথ নিয়েছেন মাত্র।

আরেক প্রশ্নে সাংবাদিক বলেন, তিনি যোগাযোগের বিষয়টি নির্দিষ্ট করছেন না। তবে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এই যোগাযোগ সম্পর্কে তিনি জানতে চান।

মিলার বলেন, আমি ব্যক্তিগত কূটনৈতিক কথোপকথনের কথা বলছি না, তবে অবশ্যই একটি বিষয় আমরা স্পষ্ট করেছি যে, আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ছকে দেখতে চাই।

অন্য এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ সরকারের (অন্তর্বর্তী) প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আপনি কি পররাষ্ট্র দপ্তর বা প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন?

জবাবে মিলার বলেন, যেমন আমি বলেছি, আমাদের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স আজ রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আমরা সাম্প্রতিক সহিংসতা বন্ধে ড. ইউনূসের আহ্বানকে স্বাগত জানাই। আমরা বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ড. ইউনূসের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছি।