বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও আদান-প্রদান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দুদেশের মধ্যে সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানো হলে পারস্পরিক অগ্রাধিকার সম্পর্কে বোঝাপড়া আরো গভীর হবে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ৩০তম ইউএস ট্রেড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা মূলত তিনটি বিষয় চান। এগুলো হলো পূর্বাভাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন। আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংসদ এসব বিষয় নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের দ্বার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এর মাধ্যমে দুদেশের পারস্পরিক অগ্রাধিকারগুলো সম্পর্কে আরো ভালোভাবে বোঝাপড়া তৈরি হবে এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠবে।

৩০তম ইউএস ট্রেড শোকে দুদেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি বলেন, ইউএস ট্রেড শো প্রথাগত সহযোগিতার ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বিনিয়োগ, জ্ঞান বিনিময় এবং শিল্প উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধানের একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অ্যামচ্যাম বাংলাদেশ ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী এ ট্রেড শোর আয়োজন করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য, সেবা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরা হচ্ছে।