জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার ও অপরাধীদের বিচার শুরু করে নির্বাচন দিতে হবে। তা অবশ্যই আগামী বছরের প্রথমার্ধে হতে হবে। মৌলিক সংস্কার শেষ না করে আগের মতো নির্বাচন হলে এটি জাতির জন্য আবারো দুঃখ ও বেদনার কারণ হবে। আমরা এটা দেখতে চাই না এবং হতে দিতেও দেব না। দু-চারটা হলেও শীর্ষ অপরাধীর শাস্তি দেখতে চাই। এরপর এ ধারা চলমান থাকবে। যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের নৈতিক দায়িত্ব হবে বিচার চালিয়ে যাওয়া ও সমাপ্তির দিকে নিয়ে যাওয়া।’

গতকাল বিকালে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আগামী নির্বাচন নিয়ে মানুষের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। গত তিনটি নির্বাচনে মানুষ তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি এবং মনের মতো দল বা ব্যক্তিকেও বাছাই করতে পারেনি। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি জামায়াতের সংস্কৃতি নয়। মানুষের ইজ্জতে হাত দেয়া আমাদের রাজনীতি না। যে দল তার কর্মীদের এভাবে গড়ে তুলেছে, সে দল ক্ষমতায় গেলে দেশকেও এভাবে গড়ে তুলবে। জামায়াতের হাতে দেশের একজন মানুষও অনিরাপদ থাকবে না।’

চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট যারা করে, তারা ভিক্ষুকের চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ‘ভিক্ষা করা হালাল। যদি পেটের অবস্থা এমন হয় তাহলে আপনি ভিক্ষা করেন। কেন সিন্ডিকেট করবেন। কেন চাঁদাবাজি করবেন। আমি কোনো দলকে বলছি না। এ রকম চরিত্র যাদের আমি তাদের বলছি। তবে তিনি যদি কোনো দলের নেতা বা কর্মী হন তাহলে আমার কিছু করার নেই। একটা যুদ্ধ করেছি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। এবার একটা যুদ্ধ করব দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এ যুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের বিজয় হবে।’