মাটিবাহী ট্রলি নিয়ে বের হচ্ছিলেন বাবা কামাল হোসেন। বাড়ির মধ্যে সেই ট্রলির নিচে পিষ্ট হয়ে জাহিয়া খাতুন (৪) ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। তার সঙ্গে পিষ্ট হয়ে মারা গেছে চাচাতো ভাই আবু হুরায়রা (২)। গতকাল সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে যশোর সদর উপজেলার জিরাট গ্রামে। নিহতরা হলো ট্রলিচালক কামাল হোসেনের মেয়ে জাহিয়া খাতুন ও তার ভাই জামাল হোসেনের ছেলে আবু হুরায়রা।
নিহত শিশু জাহিয়া খাতুনের বাবা কামাল হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে ট্রলি নিয়ে মাটি টানার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিলাম। তখন খেয়াল করিনি পেছনে কেউ আছে কিনা। যখন গাড়ি পেছনের দিকে নিতে যাই, তখন বাঁধা অনুভব করছিলাম। বার বার পেছনের দিকে গাড়ি নিতে যাচ্ছিলাম। তখন না গেলে গাড়ি থেকে নেমে দেখি আমার শিশু বাচ্চা জাহিয়া আর ভাইয়ের ছেলে পিষ্ট হয়ে চাকার সঙ্গে এঁটে আছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরো বলেন, ট্রলি যখন চালু করা হয় তখন ইঞ্জিনের একটা ব্যাপক আওয়াজ হয়; সেই আওয়াজের মধ্যে তাদের চিত্কার শুনতে পাইনি। মৃত্যুর আগে কতই না যন্ত্রণা পেয়েছে আমাদের কলিজার টুকরারা।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পারিবারিক একটা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে দুই শিশু। স্বজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশু দুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।










