যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদ দখলের পর এখন যেন দূষণের প্রতিযোগিতা চলছে। নদের বাবলাতলা থেকে নীলগঞ্জ পর্যন্ত দুই ধারের ১০৬ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত দূষণ করে চলেছে। বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা ও হাসপাতালের সুয়ারেজ লাইন নামিয়ে দেয়া হয়েছে নদে। অনেক স্থানে নদে সংযোগ দেয়া হয়েছে
পৌরসভার ড্রেনের লাইন। ফলে শহরের বর্জ্য পড়ছে নদে। এভাবে নদ দূষণকারীদের একটি তালিকা করেছে প্রশাসন। সে তালিকা রোববার জেলার মাসিক উন্নয়ন সভায় উপস্থান করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সূত্রমতে, ভৈরব নদ দখল ও দূষণ চলছে দীর্ঘকাল ধরেই। এ নিয়ে বহু আন্দোলন করেছেন যশোরবাসী। এর ফলে নদের পশ্চিম তীরের ৮৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল তিন বছর আগে। কিন্তু পূর্ব প্রান্তের দেড় শতাধিক অবৈধ দখলদার এখনো বহাল তবিয়তে। আর পূর্ব-পশ্চিম উভয় পান্তে নদ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। এবার ১০৬টি প্রতিষ্ঠানকে দূষণকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এর মধ্যে পৌরসভার ড্রেনও রয়েছে। এদের কারণে নদের পানি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহীদুল ইসলাম বলেন, রোববার জেলার মাসিক উন্নয়ন কমিটির সভায় ভৈরব নদ দূষণকারীদের তালিকা তুলে ধরেছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখবে।
এ ব্যাপারে যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ভৈরব নদ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেকোনোভাবে নদের দূষণ রক্ষা করতে হবে।










