অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করেছেন। তবে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত আমি একা নেব না। আগামীকাল রোববার (১১ আগস্ট) নির্ধারিত এক সভায় সবার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।’

আজ শনিবার (১০ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

আব্দুর রউফ তালুকদার গভর্নর পদে থাকাকালীন অনেকগুলো ব্যাংকে আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে, সেক্ষেত্রে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি সব জবাবদিহিতার আওতা থেকে বের হয়ে যাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এর মধ্যে একটি প্রক্রিয়ার ব্যাপার আছে। পদত্যাগপত্র উনি দিয়েছেন, তবে সেটা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত আমি একা নেব না। যেহেতু গভর্নরের পদটি কিছুটা স্পর্শকাতর সেহেতু এ ব্যাপারে আগামীকাল নির্ধারিত হওয়া সভায় সবার সঙ্গে আলোচনা করা হবে।’

দেশের বাইরে টাকা পাচার হওয়ার ব্যাপারে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কী ভূমিকা রাখবে তা জানতে চাওয়া হলে এটি সমাধানেও নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে বলে জানান এ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘টাকা পাচার হয়েছে সেটি আমরা জেনেছি। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ বিষয়ে তথ্যও লাগবে।’ 

উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ আগস্ট) দুপুরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খানের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন তিনি।