বরগুনার তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের কচুপাত্রা বাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে ছাত্রদলের সদস্যসচিব আরাফাত শিকদারের ছুরিকাঘাতে মোটরসাইকেল চালক আরাফাত খান (২১) নিহত হয়েছে।
নিহত আরাফাত খান শারিকখালী ইউনিয়নের বাদুরগাছা গ্রামের জলিল খানের পুত্র ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক খানের ভাতিজা। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করতেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের কচুপাত্রা বাজারে শহিদ শিকদারের সার ঔষধের দোকানের সামনে বসে আরাফাত খানকে একই ইউনিয়নের কলারং গ্রামের শহিদ শিকদারের পুত্র ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব আরাফাত শিকদার এবং তার সঙ্গে থাকা লোকজন মারধর করে। এক পর্যায়ে ধাড়ালো ছুড়ি দিয়ে আরাফাত খানের বুকে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত আরাফাত খানকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর কচুপাত্রা বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং ঘটনাস্থলে তালতলী থানা পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে হত্যাকান্ডের কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, উপজেলার কচুপাত্রা বাজারে ছুরিকাঘাতে মোটরসাইকেল চালক আরাফাত খান নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত হত্যাকান্ডের কারণ জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।










