জ্বালানি তেলের সংকট কমাতে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং ঘোষণার পর যশোরের বাজারে বেড়েছে চার্জার লাইট ও ফ্যানের চাহিদা। লোডশেডিংয়ে তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে বিক্রি বেড়েছে চার্জার লাইট, ফ্যান, আইপিএস ও পাওয়ার ব্যাংকের। এ সুযোগে এসব ইলেকট্রনিকস পণ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ঘরে ঘরে নেয়া হচ্ছে প্রস্তুতি। মোবাইল ফোন, চার্জার লাইট ও চার্জার ফ্যান চার্জ দিয়ে রাখছেন সবাই।
যশোরের বাজারে চায়না ডিফেন্ডার হাই স্পিড চার্জার ফ্যান এক মাস আগে ছিল ৩ হাজার টাকা, সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ টাকায়। চার্জার টর্চলাইট আগে যেগুলো ১০০ টাকায় বিক্রি হতো সেগুলো গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়। এমনকি মোমবাতির দামও বেড়ে গেছে। শহরের মাইকপট্টিসহ বিভিন্ন মার্কট ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। তবে পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে এজন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিব শহরের মাইকপট্টিতে অভিযান চালিয়েছেন। তিনি পণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, যশোর শহরের মার্কেটগুলোতে বেড়েছে ক্রেতার আনাগোনা। বিশেষত ইলেকট্রনিকসের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। লোডশেডিংয়ের মধ্যে জীবনযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে কেউ কিনছেন লাইট, কেউবা ফ্যান। অন্যদিকে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, তারা কিনছেন আইপিএস। তবে আগের তুলনায় দাম বেশি।
রোকন ইলেকট্রিকস পণ্যের দোকানদার সৈয়দ রাশেদ আলী রোকন বলেন, ঢাকার পাইকারি দোকানদারদের কাছে পণ্যের অর্ডার দিলে তারা জানান মালামাল সংকট। ১০০ পিস অর্ডার করলে ২০-৩০ পিস ডেলিভারি পাওয়া যাচ্ছে। তাও দাম বাড়তি।
শহরের মাইকপট্টির মাহি প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রকি বলেন, মঙ্গলবার থেকে চার্জার ফ্যান, লাইট পাওয়ার ব্যাংক, ইউপিএস আইপিএসসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন ঢাকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এজন্য বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে।










