উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ঢাকা শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে গতকালের মতো আজও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে শিক্ষার্থীরা।রাজধানীর শাহাবাগ, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মিরপুর ১০, শ্যামলী, আগারগাঁও, বিজয় স্মরণি, খামারবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
সকাল ১১টায়
শাহাবাগ এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উসমান গণির সঙ্গে কথা হয়। তিনি বণিক
বার্তাকে বলেন, ‘যে যেখানে আছেন সেখানেই শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। দেশ থেকে অনিয়ম আর স্বৈরাচারকে
তাড়াতে যে লাঠি দিয়ে আন্দোলন করেছি, সেই লাঠি দিয়েই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছি। এ দেশটা
আমাদের। দেশ মাতৃকাকে ভালো রাখার দায়িত্বও আমাদের।’
সেখানে আরো
অনেক শিক্ষার্থীকে লাঠি হাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায়।
কারওয়ান বাজারে
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বরত আনসার সদস্য মফিজুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, শিক্ষার্থীরা
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছে এটা তো ভালো। তারা স্বেচ্ছায় কাজটি করছে। আমাদের সহায়তা করছে।
তারা দেশটিকে নতুন করে গড়তে চাইছে।
কারওয়ান বাজার
মোড়েও একই চিত্র দেখা যায়। কারওয়ান বাজারে ১০-১৫ জন শিক্ষার্থীকে রাস্তায় দেখা যায়।
তাদের কেউ কেউ যানবাহনগুলোকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ লোকজনকে জেব্রা ক্রসিং
ব্যবহারের অনুরোধ জানাচ্ছেন।
পথচারীরা এলোমেলো
রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করলে একজন শিক্ষার্থী অনুরোধ করেন, ‘ভাই, দেশটা আমাদের। অনেক
কষ্টে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এবার আপনারা শৃঙ্খলা রক্ষা করুন। দেশটাকে গড়তে সহযোগিতা
করুন।’
খামারবাড়ি মোড়ে
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম জানান, দেশটা তো
আমাদেরই ভাই। আমরা এত কষ্ট করে আন্দোলন করলাম স্বৈরাচার সরাতে আর এখন যদি আমরা শৃঙ্খলা
রক্ষা না করি তাহলে এই দায় কখনো এড়াতে পারব না।
তিনি বলেন,
‘কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের মাধ্যমে আমাদের এলাকাভিত্তিক পয়েন্ট ভাগ করে দেয়া হয়েছে। স্বপ্রণোদিত
হয়ে আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে এখানে কাজ করছি।










