চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার হত্যা চেষ্টা মামলায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল আনোয়ার চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্করের আদালত এই আদেশ দেন। গতকাল শনিবার রাতে ছেলের বিয়েতে তাকে অবরুদ্ধ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কয়েক শ’ নেতাকর্মী। পরে নগরীর খুলশী থানা পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কোতোয়ালী থানার মামলায় তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
ফখরুল ফটিকছড়ি আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ার চৌধুরী ওরফে সোনা রফিকের ভাই এবং ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনির চাচা।
সিএমপি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ১০ মিনিটে খুলশী থানার নেভি কনভেনশন সেন্টারে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল আনোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। ফখরুল আনোয়ারের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেভি কনভেনশন সেন্টারে আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল আনোয়ারের ছেলে বিয়ের বৌ-ভাত অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে ফটিকছড়ির সাবেক এমপি তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর ভান্ডারি ও এমপি খাদিজাতুল আনোয়ারসহ উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সগঠনের অনেক নেতাকর্মী এসেছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। রাত ৯টার দিকে শতাধিক তরুণ কনভেনশন সেন্টারের বাইরে জড়ো হয়ে ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’, ‘আবু সাইদ মুগ্ধ শেষ হয়নি যুদ্ধ’ স্লোগান দিতে থাকে। এরপর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ফখরুল আনোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়।










