পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ১৩ ডিগ্রির ঘরে বিরাজ করছে। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি। গত পাঁচদিন এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে বিরাজ করছিল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তবে ৯ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে কমেনি ঠাণ্ডার প্রকোপ।
ভোর থেকে সামান্য কুয়াশা দেখা দিয়েছে। তবে সকাল সাতটার দিকে সূর্যের দেখা পাওয়া গেছে। তবে রোদের তীব্রতা নেই। কনকনে শীত বিরাজ করছে। সে সঙ্গে, উত্তরের হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ।
গত পাঁচদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করলেও আজ সকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহ নেই। জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কুয়াশা না থাকায় সকাল সকাল গায়ে শীতের কাপড় জড়িয়ে কাজে বেরিয়েছে সাধারণ মানুষ। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতেও দেখা গেছে মানুষকে।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগাড়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, মৌসুমি বায়ু নিস্ক্রিয় থেকে সক্রিয় হওয়ায় আজ তাপমাত্রা বেড়েছে। তবে আগামী দিনে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী জানান, শীত মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রথম দফায় দুই হাজার কম্বল দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে ৩৩ লাখ টাকার শীতবস্ত্রের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। অতি দ্রত কম্বল এবং শীতবস্ত্র ক্রয় করে অসহায় দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে বিতরণের প্রস্তুতি চলছে।










