ঘন কুয়াশার কারণে ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) নাসির চৌধুরী জানান, শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। রাত সাড়ে ১১টায় কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে যায় যে চ্যানেলের বিকন বাতি এবং দৃষ্টিসীমা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ সময় মাঝনদীতে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে খান জাহান আলী নামে একটি রো রো ফেরি আটকে পড়ে। আরিচা ঘাটে চিত্রা, কৃষাণী ও শাহ আলী নামে তিনটি ফেরি এবং কাজিরহাট ঘাটে ধানসিঁড়ি নামে একটি ফেরি অপেক্ষায় থাকে।
এছাড়া রাত ১টায় কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটেও ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। এই নৌরুটে মাঝনদীতে আটকে পড়ে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর এবং বাইগার নামে দুটি ফেরি। পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে আটটি ফেরি দাঁড়িয়ে থাকে।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে তিন শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আটকে পড়ে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট এবং বেলা ১১টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। ঘাটে যানজট কমাতে বহরে অতিরিক্ত চারটি ফেরি যুক্ত করা হয়েছে।
নাসির চৌধুরী বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস পার করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে পণ্যবাহী ট্রাক পার করা হবে।
এদিকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।










