রাজধানীতে গতকাল বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ দর্শন বাস্তবায়নে নৈতিক শিক্ষার ভূমিকা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. মঈনউদ্দিন খান এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘দেশের অনেক কাঠামো এখনো ডিজিটাল পরিবর্তনের গতির সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাইয়ে উঠতে পারেনি। তাই রাষ্ট্রকে দ্রুত আধুনিক ডিজিটাল চরিত্রে রূপান্তর করা জরুরি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের মূল্যবোধ গঠনে সহায়ক কনটেন্ট প্রচার গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সমাজ, অর্থনীতি ও ব্যক্তিজীবন দ্রুত ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তরুণদের মধ্যে নৈতিকতার দৃঢ় ভিত্তি না থাকলে মেধা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, সবকিছুই এখন ডিজিটাল প্লাটফর্মনির্ভর।’
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একজন রাষ্ট্রনায়ক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির নৈতিক মানদণ্ড দুর্বল হলে তার পরিণতি ভালো হয় না। মানুষের মধ্যে থাকা পাশবিক প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে শৈশব থেকেই সুকুমার বৃত্তির চর্চা জরুরি।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার যথাযথ প্রতিফলন থাকতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই উন্নত মনস্তত্ত্ব নিয়ে বড় হতে পারে।’
মন্ত্রীর মতে, অতীতে দেশে ছিল দুর্বৃত্তায়নের সংস্কৃতি। যেখানে ভালো উদ্যোগ বা সমস্যার বিষয়ে মুক্তভাবে কথা বলার পরিবেশ ছিল না। বর্তমানে সে পরিস্থিতি অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে।










